পতিত জমিতেই ৫০০ কোটি টাকার

একসময় রাজশাহীর তানোরের জমি ছিল একফসলি। আলুর মৌসুমে পড়েই থাকত। বাইরে থেকে কিছু আলুচাষি সেই পতিত জমিতে আলু চাষ শুরু করেন। আলু তুলে জমির মালিককে এক বস্তা আলু দিলেই খুশি হতেন। সেটা ১৯৯৫ সালের দিকের কথা। দেখাদেখি স্থানীয় চাষিরাও আলু চাষ শুরু করেন। তাতেও ২০১৩-১৪ মৌসুমে তানোর উপজেলায় ৫ হাজার ২০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়, কিন্তু বিপ্লব ঘটে যায় গত পাঁচ বছরে। উপজেলাটি আলু উৎপাদনে দেশের দ্বিতীয় সেরার জায়গা দখল করে নেয়। এখন আর এক বস্তায় জমির মালিক সন্তুষ্ট থাকছেন না। শুধু আলুর মৌসুমে এক বিঘা জমির জন্য হাঁকছেন ৮-১০ হাজার টাকা। মৌসুমে মাঠের দামে এখন প্রায় ৫০০ কোটি টাকার আলুর বিক্রি হচ্ছে।

শুধু তা-ই নয়, দেশের অন্য এলাকার চেয়ে তানোরের মাটিতে আলুর ফলন বেশি হয়। মানের দিক দিয়েও এই আলু দেশসেরা। এ জন্য এই এলাকার আলুর ৬৫ কেজির একটি বস্তা ১০০ থেকে ২০০ টাকা বেশি বিক্রি করা যায়। এমনটিই দাবি তানোরের আলুচাষিদের। রাজশাহী জেলার মোট আলুর ৪০ শতাংশ আলু হয় তানোরে। এ জন্য এই উপজেলা ও এর পার্শ্ববর্তী উপজেলাগুলোতে মোট ৩৭টি হিমাগার গড়ে উঠেছে। এগুলোর ধারণক্ষমতা ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৮৮৮ মেট্রিক টন। আলু চাষ এবং হিমাগারকে কেন্দ্র করে বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। এই আলুচাষিদের প্রায় ৮০ ভাগই উপজেলার বাইরে থেকে আসা লোকজন।

গোড়ার গল্প

রাজশাহীর পবা উপজেলার বায়া এলাকার সার ব্যবসায়ী আবদুর রাজ্জাক তানোর উপজেলার আলু চাষের গোড়ার দিকের একজন চাষি। ১৯৯৫ সালের দিকে তিনি পবা উপজেলার ভুগরইল এলাকার একজন আলুচাষিকে ৩০ হাজার টাকার সার বাকিতে দিয়েছিলেন। ওই চাষি তানোরের ফ্রি জমিতে তখন আলু চাষ শুরু করেছেন। কিন্তু সারের বাকি টাকা পরিশোধ করতে না পারলে তানোরে ৩০ বিঘা আলুখেতের অর্ধেকটা আবদুর রাজ্জাককে ছেড়ে দেন। আবদুর রাজ্জাক ওই জমির আলু বিক্রি করে প্রথম আলু চাষের স্বাদ পেয়ে যান। পরের বছর তানোরের সেসব পতিত জমিতে তিনি আলু চাষ শুরু করেন। ফ্রি জমি পেয়ে দুই বছরের মাথায় তিনি প্রায় ৩০০ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেন। এই আলু চাষের খরচ মেটানোর জন্য তিনি ব্যাংক থেকে ৯০ লাখ টাকা ঋণ নেন। সেই বছরে আলুর দাম পড়ে যায়। ঋণের দায়ে বাড়িঘর নিলামে ওঠে। তবে তিনি আলু চাষ ছাড়েন না। পরবর্তী পাঁচ বছরের মধ্যে তিনি সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিয়েছেন। এবার তিনি ৩৫০ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছেন।

একসময় রাজশাহীর তানোরের জমি ছিল একফসলি। আলুর মৌসুমে পড়েই থাকত। বাইরে থেকে কিছু আলুচাষি সেই পতিত জমিতে আলু চাষ শুরু করেন। আলু তুলে জমির মালিককে এক বস্তা আলু দিলেই খুশি হতেন। সেটা ১৯৯৫ সালের দিকের কথা। দেখাদেখি স্থানীয় চাষিরাও আলু চাষ শুরু করেন। তাতেও ২০১৩-১৪ মৌসুমে তানোর উপজেলায় ৫ হাজার ২০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়, কিন্তু বিপ্লব ঘটে যায় গত পাঁচ বছরে। উপজেলাটি আলু উৎপাদনে দেশের দ্বিতীয় সেরার জায়গা দখল করে নেয়। এখন আর এক বস্তায় জমির মালিক সন্তুষ্ট থাকছেন না। শুধু আলুর মৌসুমে এক বিঘা জমির জন্য হাঁকছেন ৮-১০ হাজার টাকা। মৌসুমে মাঠের দামে এখন প্রায় ৫০০ কোটি টাকার আলুর বিক্রি হচ্ছে।

শুধু তা-ই নয়, দেশের অন্য এলাকার চেয়ে তানোরের মাটিতে আলুর ফলন বেশি হয়। মানের দিক দিয়েও এই আলু দেশসেরা। এ জন্য এই এলাকার আলুর ৬৫ কেজির একটি বস্তা ১০০ থেকে ২০০ টাকা বেশি বিক্রি করা যায়। এমনটিই দাবি তানোরের আলুচাষিদের। রাজশাহী জেলার মোট আলুর ৪০ শতাংশ আলু হয় তানোরে। এ জন্য এই উপজেলা ও এর পার্শ্ববর্তী উপজেলাগুলোতে মোট ৩৭টি হিমাগার গড়ে উঠেছে। এগুলোর ধারণক্ষমতা ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৮৮৮ মেট্রিক টন। আলু চাষ এবং হিমাগারকে কেন্দ্র করে বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। এই আলুচাষিদের প্রায় ৮০ ভাগই উপজেলার বাইরে থেকে আসা লোকজন।

গোড়ার গল্প

রাজশাহীর পবা উপজেলার বায়া এলাকার সার ব্যবসায়ী আবদুর রাজ্জাক তানোর উপজেলার আলু চাষের গোড়ার দিকের একজন চাষি। ১৯৯৫ সালের দিকে তিনি পবা উপজেলার ভুগরইল এলাকার একজন আলুচাষিকে ৩০ হাজার টাকার সার বাকিতে দিয়েছিলেন। ওই চাষি তানোরের ফ্রি জমিতে তখন আলু চাষ শুরু করেছেন। কিন্তু সারের বাকি টাকা পরিশোধ করতে না পারলে তানোরে ৩০ বিঘা আলুখেতের অর্ধেকটা আবদুর রাজ্জাককে ছেড়ে দেন। আবদুর রাজ্জাক ওই জমির আলু বিক্রি করে প্রথম আলু চাষের স্বাদ পেয়ে যান। পরের বছর তানোরের সেসব পতিত জমিতে তিনি আলু চাষ শুরু করেন। ফ্রি জমি পেয়ে দুই বছরের মাথায় তিনি প্রায় ৩০০ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেন। এই আলু চাষের খরচ মেটানোর জন্য তিনি ব্যাংক থেকে ৯০ লাখ টাকা ঋণ নেন। সেই বছরে আলুর দাম পড়ে যায়। ঋণের দায়ে বাড়িঘর নিলামে ওঠে। তবে তিনি আলু চাষ ছাড়েন না। পরবর্তী পাঁচ বছরের মধ্যে তিনি সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিয়েছেন। এবার তিনি ৩৫০ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছেন।