মঙ্গলবার, 18 আগস্ট 2026
সকল বিভাগ

বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনা জানাল বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়

রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে রাষ্ট্রায়ত্ত অকার্যকর কলকারখানাগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম। পদ্মাপাড়ের ঐতিহ্যবাহী রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে আয়োজিত এক দ্বিপাক্ষিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই তথ্য জানান।

বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনা জানাল বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়

রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে রাষ্ট্রায়ত্ত অকার্যকর কলকারখানাগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম।

পদ্মাপাড়ের ঐতিহ্যবাহী রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে আয়োজিত এক দ্বিপাক্ষিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই তথ্য জানান।


স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী সুতা শিল্পের গৌরব পুনরুদ্ধারে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি উল্লেখ করেন, আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন, মাঠপর্যায়ে গবেষণার প্রসার এবং তুঁত চাষের সম্প্রসারণের মাধ্যমে স্থানীয় সুতার গুণগত মান বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। বন্ধ থাকা সরকারি ইউনিটগুলো চালুর পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আধুনিক বিপণন কৌশল গ্রহণের উদ্যোগ চলমান রয়েছে।

বিশেষ করে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বাজারকে দেশীয় সুতা শিল্পের প্রধান সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, মানসম্মত উৎপাদন, আধুনিক মোড়কীকরণ এবং বৈশ্বিক ব্র্যান্ডিং নিশ্চিত করা গেলে আন্তর্জাতিক বাজারে স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী সামগ্রীর বাণিজ্যিক অবস্থান সুদৃঢ় হবে।

উক্ত খাতের ঐতিহাসিক ভিত্তি স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি জানান, নব্বইয়ের দশকের পূর্বে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বিশেষ বোর্ড গঠনের মাধ্যমে এই শিল্পের যাত্রা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছিল, যা বর্তমানে আধুনিক গবেষণার মাধ্যমে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রয়াস চলছে।

সম্মেলনে স্থানীয় সংসদ সদস্য, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব, বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ের আমন্ত্রিত গবেষক এবং রেশম উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে নিজ নিজ দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেন।

উল্লেখ্য, বিগত কয়েক বছরে সংশ্লিষ্ট উৎপাদন কেন্দ্র থেকে বিপুল পরিমাণ বৈচিত্র্যময় রেশমি পোশাক ও টেক্সটাইল সামগ্রী তৈরি করা হয়েছে, যা নিজস্ব বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে বিপণন করা হচ্ছে। সঠিক গবেষণা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নতুন উদ্যোগে শিল্পটি আবারও ঘুরে দাঁড়াবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

Advertisement
Sample creative for Bottom Leaderboard
Advertisement