মিষ্টি খেয়ে পেলেন লাখ টাকা

ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস (ইএফডি) চালানের ২০তম লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে গতকাল। যেখানে ৮৭ টাকার মিষ্টি খেয়ে প্রথম পুরস্কার জিতেছেন চট্টগ্রামের এক ব্যক্তি।

গতকাল সোমবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনআরবি) সম্মেলন কক্ষে ইএফডি চালানের লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (শুল্ক নীরিক্ষা, আধুনিকায়ন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য) ড. আব্দুল মান্নান শিকদার।

এবারের ইএফডি লটারিতে প্রথম পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত নম্বর 003622QAZLC050, দ্বিতীয় 001322TDTZDFX705, তৃতীয় 002322FTKECBD653, 001122SNBFEFL846, 000122HLRKXLB516, 000322GQRSLVJ457 এবং 000122HTEEMBP150

লটারির ফলাফল দেখতে ক্লিক করুন

আগস্ট মাসের চালানের ওপর ভিত্তি করে এই লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়। আগস্টে ইএফডি যন্ত্র ব্যবহার করে যারা কেনাকাটা করেছেন তাদের কেনাকাটার চালানপত্র কূপন হিসাবে লটারিতে ব্যবহার করা হয়। ইএফডি চালানের লটারিতে প্রথম পুরস্কার ১ লাখ টাকা, দ্বিতীয় পুরস্কার ৫০ হাজার টাকা ও তৃতীয় পুরস্কার ২৫ হাজার টাকা (পাঁচটি)। এছাড়া চতুর্থ পুরস্কার হিসেবে ৯৩ জনকে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। ভ্যাট আদায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ২০১৯ সালের ২৫ আগস্ট ইএফডির উদ্বোধন করেন এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম। ২০২১ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মতো ইএফডি চালানের লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়। এখন পর্যন্ত ৭ হাজার ৫৯০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ইএফডি বসিয়েছে এনবিআর।

চলতি অর্থবছরের আগস্ট পর্যন্ত ৭ হাজার ৭৮৯টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ইএফডি যন্ত্র বসিয়েছে এনবিআর। গত ৫ ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মতো ইএফডি চালানের লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়। ভ্যাট আদায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ইএফডি মেশিন চালু করে এনবিআর।;

এনবিআর সদস্য (মূসক মূল্যায়ন ও বাস্তবায়ন) মইনুল খান জানান, চলতি অর্থবছরের আগস্ট মাসে ইএফডি চালানের মাধ্যমে ভ্যাট এসেছে ৩৭ কোটি ৬১ লাখ টাকা। গত অর্থবছরের আগস্টের তুলনায় এবার ২৫ শতাংশ বেশি রাজস্ব এসেছে। ২০২১-২০২২ অর্থবছরের আগস্টে ইএফডির মাধ্যমে ভ্যাট এসেছিল ১৬ কোটি ২২ লাখ টাকা।

মইনুল বলেন, ইএফডি মেশিনের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরের আগস্টে ইনভয়েসিং ও রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধি ভালো হয়েছে। আগস্ট পর্যন্ত ৭ হাজার ৩৫৬টি প্রতিষ্ঠানে ৭ হাজার ৭৮৯টি মেশিন বসানো হয়েছে। আগস্টে মোট ৩০ লাখ ইনভয়েসিং হয়েছে, যার বিপরীতে ৫৮৭ কোটি টাকা বিক্রি হয়েছে। যেখান থেকে ভ্যাট এসেছে ৩৭ কোটি ৬১ লাখ টাকা।

আগস্টে ইনভয়েসিং ও রাজস্ব প্রবৃদ্ধি দুটোই বেড়েছে। গত বছরের আগস্টের তুলনায় ইনভয়েসিং ১৫ শতাংশ বেড়েছে। ওই মাসে মোট ইনভয়েসিং হয় ১৭ লাখ ১০ হাজার, যেখানে ২২০ কোটি টাকা বিক্রির বিপরীতে ভ্যাট আসে ১৬ কোটি ২২ লাখ টাকা। আমরা মনে করি এই খাতে যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে। যখন ৩ লাখ মেশিন বসানো হবে। তাহলে দীর্ঘমেয়াদে আরও সফলতা আসবে। এজন্য সচেতনতা আরও বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। অনষ্ঠিানে উপস্থিত ছিলেন ড. সহিদুল ইসলামসহ ( ভ্যাট নিরীক্ষা) এনবিআরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মন্তব্য করুন






আর্কাইভ