৭ মে ২০২৬, ১১:৫৮ পি.এম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসসহ ১০ প্রস্তাব অনুমোদন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসসহ ১০ প্রস্তাব অনুমোদন

আন্তর্জাতিক বাজার থেকে বিপুল পরিমাণ সয়াবিন তেল ও এলএনজি সংগ্রহসহ মোট ১০টি উন্নয়ন ও ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত কমিটির ২০তম সভায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসের ভূমি উন্নয়ন, বিদ্যুৎ খাতের আধুনিকায়ন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ২ কোটি লিটার সয়াবিন তেল কেনার একটি প্রস্তাব সভায় পাস হয়। ইন্দোনেশিয়ার পিটি ট্রিনিটি কাহায়া এনার্জি থেকে ২৮২ কোটি ৫৭ লাখ ৫ হাজার টাকায় এই তেল কেনা হবে, যার প্রতি লিটারের মূল্য পড়বে ১৪১ টাকা ২৮ পয়সা। এছাড়া জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্পট মার্কেট থেকে জুন মাসের জন্য ৩ কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে এই জ্বালানি সংগ্রহে ব্যয় হবে ২ হাজার ১৮৬ কোটি ৩৫ লাখ টাকার বেশি।

বিদ্যুৎ খাতের অবকাঠামো উন্নয়নে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিতরণ ব্যবস্থা আধুনিকায়নের লক্ষ্যে নতুন সাব-স্টেশন স্থাপন ও ভূমি উন্নয়নের তিনটি প্যাকেজ অনুমোদন করা হয়েছে। রেভারি পাওয়ার অ্যান্ড অটোমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান প্রায় ২৮৬ কোটি টাকায় এই কাজ সম্পন্ন করবে। পাশাপাশি নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি থেকে নির্ধারিত ট্যারিফে বিদ্যুৎ কেনার বিষয়টিও চূড়ান্ত হয়।

শিক্ষা ও আবাসন খাতের উন্নয়নে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস স্থাপন প্রকল্পের আওতায় ভূমি উন্নয়ন কাজের পাঁচটি প্যাকেজে সংশোধিত ১৯৯ কোটি ৭৭ লাখ ৫ হাজার টাকার ব্যয় প্রস্তাব পাস হয়েছে। এছাড়া শেরেবাংলা নগরে একটি ১২ তলা অফিস ভবন নির্মাণের জন্য প্রায় ১০৯ কোটি টাকার প্রকল্প যৌথভাবে বাস্তবায়ন করবে জিকেবিপিএল ও নাভানা রিয়েল এস্টেট।

জননিরাপত্তা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড থেকে র‍্যাবের ব্যবহারের জন্য ৩টি জিপ, ১০০টি পিকআপ এবং ৬০টি মাইক্রোবাস কেনা হবে, যাতে মোট ব্যয় হবে ১২২ কোটি ২৭ লাখ টাকার বেশি। এর আগে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়ক কমিটির সভায় অফশোর মডেল প্রোডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাক্ট এবং ভারত ও নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ভর্তুকি সংক্রান্ত বিষয়ে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে সভায় উপস্থাপিত ১১টি প্রস্তাবের মধ্যে ১০টি অনুমোদন লাভ করে এবং বিদ্যুৎ বিভাগের একটি প্রস্তাব আলোচনা থেকে বাদ রাখা হয়।