প্রথম দিনের খেলা শেষে ৪৮ রানে অপরাজিত ছিলেন মুশফিক। ফিফটির জন্য মাত্র ২ রান প্রয়োজন থাকলেও আগের দিন ১০৪ বল খেলা এই ব্যাটারকে মাইলফলকে পৌঁছাতে দ্বিতীয় দিনে আরও ১০ বল খেলতে হয়।
দ্বিতীয় দিনের শুরুতে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে আলো ছড়ান লিটন কুমার দাস। শাহিন শাহ আফ্রিদির করা দিনের দ্বিতীয় ওভারে প্রথম তিন বলেই তিনটি চার হাঁকান তিনি। পঞ্চম উইকেটে মুশফিকের সঙ্গে ৬২ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন লিটন। তবে ৩৩ রান করে একটি অপ্রয়োজনীয় শটে আউট হয়ে ফেরেন তিনি। তখন বাংলাদেশের রান দাঁড়ায় ৩৩৮।
প্রথম দিনের শুরুটা অবশ্য বাংলাদেশের জন্য ভালো ছিল না। মাত্র ৩১ রানের মধ্যে ফিরে যান মাহমুদুল হাসান ও সাদমান ইসলাম। পরে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১০১ রান করে আউট হলে ব্যাটিংয়ে আসেন মুশফিক। চতুর্থ উইকেটে মুমিনুল হকের সঙ্গে ৭৫ রানের জুটি গড়েন তিনি।
সেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়েও হতাশা নিয়ে ফিরে যান মুমিনুল। ব্যক্তিগত ৯১ রানে নোমান আলীর বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফেরেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
প্রথম দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশ ৪ উইকেটে ৩০১ রান সংগ্রহ করেছিল।
লিটনের বিদায়ের পরও এক প্রান্তে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছেন মুশফিকুর রহিম। চলতি সময়ে দারুণ ফর্মে থাকা এই অভিজ্ঞ ব্যাটার গত নভেম্বরে নিজের শততম টেস্টে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেছিলেন। এবার জন্মদিনকে স্মরণীয় করে তুলতে তার লক্ষ্য ১৪তম টেস্ট সেঞ্চুরি।