বিশ্বকাপের সর্বকালের এই র্যাঙ্কিং নির্ধারণ করা হয়েছে অভিন্ন পয়েন্ট ব্যবস্থায়। প্রতিটি জয়ের জন্য ৩ পয়েন্ট এবং ড্রয়ের জন্য ১ পয়েন্ট ধরা হয়েছে। সমান পয়েন্ট হলে গোল ব্যবধান বিবেচনায় নেওয়া হয়, এরপরও সমতা থাকলে মোট গোলসংখ্যা দেখা হয়।
১৯৩০ থেকে ২০২২ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত প্রতিটি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া একমাত্র দল ব্রাজিল। ফলে ২০২৬ বিশ্বকাপে খেললে এটি হবে তাদের টানা ২৩তম অংশগ্রহণ। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলটি ১১৪ ম্যাচে ৭৬ জয়, ১৯ ড্র ও ১৯ হারে সংগ্রহ করেছে ২৪৭ পয়েন্ট। তাদের করা গোল ২৩৭ এবং গোল ব্যবধান +১২৯। ব্রাজিল শিরোপা জিতেছে ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪ ও ২০০২ সালে।
অলটাইম তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জার্মানি জাতীয় ফুটবল দল। পশ্চিম জার্মানি ও একীভূত জার্মানির রেকর্ড মিলিয়ে তারা ২০২২ পর্যন্ত ২০টি বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে। ১১২ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ ২২৫ পয়েন্ট। চারবারের চ্যাম্পিয়ন জার্মানি শিরোপা জিতেছে ১৯৫৪, ১৯৭৪, ১৯৯০ ও ২০১৪ সালে। দলটি মোট আটবার ফাইনাল খেলেছে।
তৃতীয় স্থানে আছে আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল। ১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলটি ১৯৩৮, ১৯৫০, ১৯৫৪ ও ১৯৭০ আসরে খেলেনি। তবে ১৯৭৪ থেকে ২০২২ পর্যন্ত প্রতিটি বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে। ৮৮ ম্যাচে ৪৭ জয়, ১৭ ড্র ও ২৪ হারে তাদের পয়েন্ট ১৫৮। গোল করেছে ১৫২টি, গোল ব্যবধান +৫১। আর্জেন্টিনার তিনটি শিরোপা আসে ১৯৭৮, ১৯৮৬ ও ২০২২ সালে। ছয়বার ফাইনালও খেলেছে তারা।
চার নম্বরে রয়েছে ইতালি জাতীয় ফুটবল দল। ৮৩ ম্যাচে ৪৫ জয় নিয়ে তাদের সংগ্রহ ১৫৬ পয়েন্ট, যা আর্জেন্টিনার চেয়ে মাত্র ২ পয়েন্ট কম। ইতালির গোল ব্যবধানও +৫১। দলটি বিশ্বকাপ জিতেছে ১৯৩৪, ১৯৩৮, ১৯৮২ ও ২০০৬ সালে। তবে টানা তিনটি বিশ্বকাপে অংশ নিতে না পারায় পিছিয়ে পড়েছে তারা।
তালিকার পঞ্চম স্থানে আছে ফ্রান্স জাতীয় ফুটবল দল। ৭৩ ম্যাচে ৩৯ জয় নিয়ে তাদের সংগ্রহ ১৩১ পয়েন্ট এবং গোল ব্যবধান +৫১। ফ্রান্স প্রথম বিশ্বকাপ জেতে ১৯৯৮ সালে, দ্বিতীয় শিরোপা আসে ২০১৮ সালে। এছাড়া ২০০৬ ও ২০২২ সালের ফাইনালে উঠেও শিরোপা হাতছাড়া করে দলটি।