বুধবার (১৩ মে) এ রায় ঘোষণা করেন মো. মঞ্জুরুল ইমাম। তিনি খুলনার বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে মামলার রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত কানিজ ফাতেমা কণা তেরখাদা উপজেলা-র কুশলা গ্রামের শেখ খাইরুজ্জামান ওরফে খায়েরের মেয়ে এবং মোল্লাহাট উপজেলা-র মো. মাসুম বিল্লাহর স্ত্রী।
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের উচ্চমান বেঞ্চ সহকারী মো. মাজহারুল ইসলাম।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে কানিজ ফাতেমা কণার সঙ্গে মো. মাসুম বিল্লাহ-র বিয়ে হয়। ২০২১ সালের ৭ ডিসেম্বর মোল্লাহাটের একটি ক্লিনিকে তিনি জমজ দুই কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। পরে সন্তানদের নিয়ে তিনি বাবার বাড়ি তেরখাদার কুশলা গ্রামে চলে আসেন।
এরপর কয়েক দফা মোবাইল ফোনে স্বামীকে জানিয়ে তাকে ও সন্তানদের শ্বশুরবাড়িতে নেওয়ার অনুরোধ করেন কণা। তবে স্বামী মাসুম বিল্লাহ বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন গড়িমসি করেন। এরই মধ্যে ২০২২ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে কণার ছোট বোন ফোন করে মাসুমকে জানান, শিশু দুটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
খবর পেয়ে তিনি দ্রুত শ্বশুরবাড়িতে যান। পরদিন সকাল ৬টার দিকে বাড়ির পারিবারিক পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় জমজ দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পর নিহত শিশু দুটির বাবা মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে তেরখাদা থানা-য় স্ত্রী কণার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। একই বছরের ৩১ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেরখাদা থানার সহকারী পরিদর্শক মো. এনামুল হক কণাকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।