ইরান সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা চীন-কে ‘কৌশলগত অংশীদার’ এবং ‘ঘনিষ্ঠ বন্ধু’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাদের মতে, দুই দেশের সম্পর্ক আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
এমন সময় এই বার্তা সামনে এলো, যখন ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রেসিডেন্সির একটি গুরুত্বপূর্ণ বিদেশ সফরে রয়েছেন।
সম্প্রতি চীনে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আবদুররেজা রহমানি ফাজলি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভবিষ্যতে যেকোনো সম্ভাব্য চুক্তিতে পৌঁছাতে হলে তা অবশ্যই জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ-এ উপস্থাপন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এমন চুক্তির দীর্ঘস্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে বিশ্বের প্রভাবশালী শক্তিগুলোর সুনির্দিষ্ট গ্যারান্টি প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে চীন ও রাশিয়া-র নাম উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রদূতের মতে, ইরানসহ এ অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের কাছে চীনের গ্রহণযোগ্যতা ও অবস্থান এমন যে, বেইজিং সহজেই আন্তর্জাতিক কোনো চুক্তির প্রধান গ্যারান্টর হিসেবে কাজ করতে পারে।
তেহরানের ধারণা, শুধু সরাসরি দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় নয়; বরং চীনের মতো বড় শক্তির মধ্যস্থতা ও নিশ্চয়তা থাকলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি বা সমঝোতা বাস্তবায়ন সহজ হবে।