৫ জুন ২০২৬, ০৪:৫০ পি.এম

লেবাননে ট্যাংক বিধ্বংসী মিসাইলে ইসরায়েলি সেনা নিহত

লেবাননে ট্যাংক বিধ্বংসী মিসাইলে ইসরায়েলি সেনা নিহত

নতুন যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকরের আলোচনা চলার মধ্যেই আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে লেবানন-ইসরায়েল সীমান্ত। হিজবুল্লাহর ট্যাংক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এক ইসরায়েলি সেনা কর্মকর্তা নিহত হওয়ার ঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে।

দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর চালানো ট্যাংক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের এক সেনা কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সংঘটিত এ হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।

নিহত কর্মকর্তা হলেন ক্যাপ্টেন ইতান স্যামুয়েল লেম্বার্গ। ২১ বছর বয়সী এই সেনা সদস্য ইসরায়েলি বাহিনীর সপ্তম সাঁজোয়া ব্রিগেডের ৭৫ নম্বর ব্যাটালিয়নে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

ঘটনার দিনই যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবানন সরকার ও ইসরায়েল নতুন একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয়েছিল। তবে হিজবুল্লাহ ওই চুক্তি প্রত্যাখ্যান করে এবং পরে ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়।

স্থানীয় সময় বিকেল ৪টার দিকে লিটানি নদীর উত্তরাঞ্চলে অবস্থানরত ইসরায়েলি বাহিনীর একটি ট্যাংক লক্ষ্য করে ট্যাংক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে হিজবুল্লাহ। এতে ক্যাপ্টেন ইতান স্যামুয়েল লেম্বার্গ নিহত হন।

হামলার পরপরই ইসরায়েলি বাহিনী ওই এলাকায় পাল্টা বিমান হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, হিজবুল্লাহ হামলা বন্ধ করলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। পাশাপাশি দক্ষিণ লেবাননের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে এবং সেসব এলাকা থেকে ইসরায়েলি সেনারা সরে যাবে। একইসঙ্গে হিজবুল্লাহকেও তাদের যোদ্ধাদের ওই অঞ্চল থেকে প্রত্যাহার করতে হবে।

তবে হিজবুল্লাহ নতুন এই চুক্তিকে প্রত্যাখ্যান করে একে ‘আত্মসমর্পণের সামিল’ বলে আখ্যা দিয়েছে।

হিজবুল্লাহ প্রধান নাইম কাসেম বলেছেন, যতদিন ইসরায়েল লেবাননের ভেতরে বোমা হামলা চালিয়ে যাবে, ততদিন তাদের সংগঠনও পাল্টা হামলা অব্যাহত রাখবে। একই সঙ্গে তিনি লেবানন সরকারকে ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার পথ থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।