৮ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৩১ পি.এম

তৃণমূল থেকে প্রতিভা খুঁজতে চাই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

তৃণমূল থেকে প্রতিভা খুঁজতে চাই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

শারীরিক চর্চার মাধ্যমে অনৈতিক কর্মকাণ্ড মুক্ত সুন্দর সমাজ গড়ার উদ্যোগের পাশাপাশি প্রান্তিক অঞ্চল থেকে তরুণদের খেলাধুলার মেধা খুঁজে বের করতে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

তিনি উল্লেখ করেন, খেলাধুলার ক্ষেত্রকে কেবল বিনোদনের মাধ্যম না বানিয়ে একটি টেকসই জীবিকা বা পেশা হিসেবে দাঁড় করাতে হবে। এর মধ্য দিয়েই তরুণ সমাজকে নেশার ভয়াল থাবা এবং নানা ধরণের সামাজিক পতন থেকে রক্ষা করা সম্ভব।


শনিবার অপরাহ্ণে ঝিনাইদহের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ঝিনাইদহ জেলা পরিষদ গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর সমাপনী ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানান, সুস্থ জাতি গঠন ও সুস্থ পরিবেশ তৈরির অংশ হিসেবে নৈতিক চেতনা ফিরিয়ে আনতে সরকার বদ্ধপরিকর। এই উদ্দেশ্য বাস্তবে রূপ দিতে সর্বস্তরের মানুষকে দলীয় চিন্তা ভুলে একসাথে কাজ করার পরামর্শ দেন তিনি।

গ্রাম পর্যায় থেকে নতুন খেলোয়াড় গড়ে তোলার কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করে তিনি জানান, দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নের প্রতিটিতে একটি করে ক্রীড়াঙ্গন প্রস্তুত করার প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে। একইসাথে ঝিনাইদহ জেলার ক্রীড়া অবকাঠামোর সম্প্রসারণ নিয়ে কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি নিশ্চিত করেন, চলতি অর্থবছরে সারাদেশে ১০টি স্থানে 'স্পোর্টস ভিলেজ' তৈরির যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তার একটি ঝিনাইদহে স্থাপনের চিন্তা রয়েছে। পাশাপাশি এখানকার প্রধান স্টেডিয়ামকে গ্যালারিসহ সর্বাধুনিক রূপ দেওয়া হবে।

স্থানীয়দের সাঁতার কাটার উপযুক্ত সুইমিংপুল স্থাপনের দাবির জবাবে তিনি উল্লেখ করেন, এখন পর্যন্ত দেশে ২২টি জেলায় সাঁতার কেন্দ্র রয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলাতেই একটি করে সুইমিংপুল তৈরি করা হবে এবং সেই সূচির আওতায় ঝিনাইদহকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের ৬৪টি জেলাতেই আধুনিক সুবিধার ইনডোর স্টেডিয়াম ও ক্রীড়া গ্রাম গড়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে।

উক্ত ফুটবল টুর্নামেন্টের সমাপনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান এবং ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদুজ্জামান মনা। পুরো আয়োজনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুল মজিদ।