হেলিকপ্টারে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
কক্সবাজারের মহেশখালী অঞ্চলের উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন ও বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শনের লক্ষ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে রাজধানীর তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারযোগে তিনি মহেশখালীর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সফরকালে মহেশখালীর মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর, কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সামগ্রিক কার্যক্রম সরেজমিনে খতিয়ে দেখবেন প্রধানমন্ত্রী। পরবর্তীতে তিনি বন্যাপীড়িত বাঁশখালী ও হাটহাজারী এলাকায় গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে নতুন ঘর হস্তান্তর কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, সকাল সাড় ১০টায় মহেশখালীর একাধিক মেগা প্রকল্প পরিদর্শন শেষে বেলা সাড়ে ১২টায় বাহারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বাঁশখালী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ প্রাঙ্গণে বন্যা পুনর্বাসন সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন তারেক রহমান।
এরপর দুপুর ২টার দিকে ফটিকছড়ির আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় গিয়ে আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে তার। সেখান থেকে বিকেল সোয়া ৩টায় হাটহাজারীর ঐতিহ্যবাহী আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় উপস্থিত হয়ে আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করবেন প্রধানমন্ত্রী।
পরবর্তী ধাপে বিকেল পৌনে ৪টায় হাটহাজারী ডাকবাংলোয় স্বল্প সময়ের বিরতি নিয়ে বিকেল ৫টায় হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত পুনর্বাসন সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। দিনশেষে সন্ধ্যা পৌনে ৮টার দিকে নগরীর 'রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউ' হোটেল মিলনায়তনে একটি বড় ধরনের সাংগঠনিক মতবিনিময় সভায় মিলিত হবেন।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব আরও নিশ্চিত করেছেন, সূচনা পর্বে ঢাকা থেকে মহেশখালী পর্যন্ত হেলিকপ্টারে পৌঁছালেও ফটিকছড়ি থেকে চট্টগ্রামের বাকি সফর সড়কপথে সম্পন্ন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সমুদয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে রাত সাড়ে ৯টার দিকে চাটগাঁর হযরত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমানযোগে তিনি রাজধানী ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করবেন।