শনিবার, 17 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

নিজেদের দ্বন্দ্ব ঢাকতেই বিরোধী দল রাজপথে নাটক করছে: রিজভী

নিজেদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও ব্যর্থতা আড়াল করতে বিরোধী দল আন্দোলনের নামে রাজপথে নতুন নাটক শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, দেশ নানা সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে গঠনমূলক ভূমিকা না রেখে বিরোধী দলগুলো জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।

নিজেদের দ্বন্দ্ব ঢাকতেই বিরোধী দল রাজপথে নাটক করছে: রিজভী

নিজেদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও ব্যর্থতা আড়াল করতে বিরোধী দল আন্দোলনের নামে রাজপথে নতুন নাটক শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, দেশ নানা সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে গঠনমূলক ভূমিকা না রেখে বিরোধী দলগুলো জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন রিজভী। দেশজুড়ে আওয়ামী লীগের পরিকল্পিত নৈরাজ্য ও চক্রান্তের প্রতিবাদে জাতীয়তাবাদী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (জেটেব) এ সমাবেশের আয়োজন করে।

রিজভী বলেন, সংবাদপত্র খুললেই দেখা যায়, বিরোধী দলগুলো শুধু অভাব-অভিযোগ নিয়ে কথা বলছে। দেশের উন্নয়ন কিংবা জনগণের কল্যাণে তাদের কোনো মনোযোগ নেই। নিজেদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব আড়াল করতেই তারা রাজপথে নামার নানা অজুহাত খুঁজছে এবং বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে নাটক সাজাচ্ছে।

স্বৈরাচারী শাসনের পরিণতি তুলে ধরে বিএনপির এই নেতা বলেন, অন্যায় ও অপশাসন চালিয়ে কোনো শাসকই শেষ পর্যন্ত ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না। ইতিহাসে দেখা গেছে, জনগণ রাজপথে জেগে উঠলে অপরাধী শাসকদের ক্ষমতা ছেড়ে পালাতে হয়। বাংলাদেশেও জোর করে ক্ষমতায় থাকা স্বৈরাচারী শক্তিকে পালিয়ে যেতে হয়েছে।

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে রিজভী বলেন, সর্বোচ্চ নিরাপত্তা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন নিশ্চিত করতে বিএনপির সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সারা দেশে দলের প্রতিনিধিরা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন, যাতে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ নির্বিঘ্নে পূজা উদ্‌যাপন করতে পারেন।

দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, অন্যায় করে কেউ পার পাবে না। দেশে বেইমানি ও হত্যার রাজত্ব আর হতে দেওয়া হবে না। আইন ও আদালতের মাধ্যমে সব অপরাধের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

জেটেবের সভাপতি প্রকৌশলী মো. ফখরুল আলমের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রিয়াজ উদ্দিন মিশু, বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব জাহানারা সিদ্দীকা, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের নেতা রকিবুল ইসলাম, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব কাজী সাখাওয়াত, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি চিকিৎসক জাহিদুর রহমান এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি চিকিৎসক তাওহিদুর রহমান আউয়ালসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা।