যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টিকে হারিয়ে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ডেমোক্রেটিক পার্টি। কয়েক দশক ধরে রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত একাধিক অঙ্গরাজ্যেও জয় পেয়েছেন দলটির প্রার্থীরা। নির্বাচনের এই ফলকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির প্রতি ভোটারদের অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসনের মধ্যে ডেমোক্র্যাটরা ২২০টিতে জয় পেয়েছেন। অন্যদিকে ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টি পেয়েছে ১২৬টি আসন। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ২১৮ আসনের সীমা আগেই অতিক্রম করেছেন ডেমোক্র্যাটরা। এখন পর্যন্ত রিপাবলিকানদের কাছ থেকে অন্তত ২৫টি আসন ছিনিয়ে নিয়েছেন দলটির প্রার্থীরা।
সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার মধ্য দিয়ে ওয়াশিংটনের ক্ষমতার সমীকরণেও বড় পরিবর্তন এসেছে। আগামী দুই বছর ট্রাম্পের আইন প্রণয়নের উদ্যোগে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি তার প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের ওপর নজরদারি ও তদন্ত চালানোর সুযোগ পাবেন ডেমোক্র্যাটরা।
রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটিতেও ডেমোক্র্যাটদের জয়
এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে টেক্সাস, সাউথ ক্যারোলাইনা, কানসাস, আইওয়া ও ওহাইওর মতো অঙ্গরাজ্যে রিপাবলিকানদের কাছ থেকে সিনেটের আসন ছিনিয়ে নিয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা। এসব অঙ্গরাজ্যের কয়েকটিতে কয়েক দশকের মধ্যে এই প্রথম সিনেট নির্বাচনে জয় পেয়েছেন দলটির প্রার্থীরা।
সাউথ ক্যারোলাইনায় রিপাবলিকান প্রার্থী ডারলিন গ্রাহামকে পরাজিত করেছেন ডেমোক্র্যাট অ্যানি অ্যান্ড্রুজ। প্রায় তিন দশক পর অঙ্গরাজ্যটি থেকে সিনেটর নির্বাচিত হলেন কোনো ডেমোক্র্যাট। ১৯৯৮ সালের পর সেখানে দলটির কেউ সিনেট নির্বাচনে জয় পাননি।
আসনটি আগে দীর্ঘদিন রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের দখলে ছিল। চলতি বছরের জুলাইয়ে তাঁর মৃত্যুর পর বোন ডারলিন গ্রাহামকে সিনেটর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে পূর্ণ মেয়াদের নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও অ্যানি অ্যান্ড্রুজের কাছে হেরে যান তিনি।
নর্থ ক্যারোলাইনায় রিপাবলিকান প্রার্থী মাইকেল হোয়াটলিকে হারিয়েছেন অঙ্গরাজ্যটির সাবেক দুই মেয়াদের গভর্নর ও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী রয় কুপার। এর মধ্য দিয়ে রিপাবলিকানদের দখলে থাকা আরেকটি সিনেট আসন ডেমোক্র্যাটদের হাতে যায়। আগের সিনেটর থম টিলিস এবার পুনর্নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি।
টেক্সাসে রিপাবলিকান অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটনকে হারিয়ে জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাট জেমস তালারিকো। ১৯৮৮ সালের পর এই প্রথম অঙ্গরাজ্যটি থেকে কোনো ডেমোক্র্যাট সিনেটর নির্বাচিত হলেন। কানসাসে রিপাবলিকান সিনেটর রজার মার্শালকে পরাজিত করেছেন অ্যাডাম হ্যামিলটন। ১৯৩২ সালের পর এবারই প্রথম অঙ্গরাজ্যটি থেকে সিনেটের আসন পেল ডেমোক্রেটিক পার্টি।
ওহাইওতে জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাট শেরড ব্রাউন। দুই বছর আগে আসনটি ছিল বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের। আইওয়াতেও রিপাবলিকানদের কাছ থেকে একটি আসন ছিনিয়ে নিয়েছেন ডেমোক্র্যাটরা। ফলে মিশিগান ও মিনেসোটার মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অঙ্গরাজ্যে হারলেও সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে দলটি।
তবে ভোট গণনা শেষ না হওয়ায় কয়েকটি আসনের ফল তখনো চূড়ান্ত হয়নি। মিশিগানে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সাইয়েদ একটি আসনে লড়ছেন। অন্যদিকে আলাস্কায় দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করা রিপাবলিকান ড্যান সুলিভানকে হারানোর চেষ্টা করছেন ডেমোক্র্যাটরা। অঙ্গরাজ্যটির ফল জানতে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।
ট্রাম্পের নীতিতে অসন্তোষ, ভোটের ফলেও তার প্রতিফলন
নির্বাচনের আগে টেক্সাস, কানসাস ও আইওয়ার মতো অঙ্গরাজ্যে ডেমোক্র্যাটদের জয় পাওয়া কঠিন বলে মনে করা হচ্ছিল। তবে সময়ের সঙ্গে ট্রাম্পের বিভিন্ন নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে ভোটারদের অসন্তোষ বাড়তে থাকে। বিশেষ করে অর্থনীতি ও অভিবাসন পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ও যুদ্ধ শুরুর সিদ্ধান্তও নির্বাচনে প্রভাব ফেলেছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়েছে। এ ছাড়া অভিবাসনবিরোধী অভিযানে ফেডারেল এজেন্টদের ভূমিকা এবং মিনিয়াপোলিসে দুই মার্কিন নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনাও ভোটারদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করেছে।
রয়টার্স ও ইউএসএ টুডের যৌথভাবে সংকলিত নির্বাচনি ফলের তথ্য অনুযায়ী, হিস্পানিক জনগোষ্ঠীর বসবাস বেশি—এমন এলাকাগুলোতে ডেমোক্র্যাটদের অগ্রগতি ছিল উল্লেখযোগ্য। ২০২৪ সালের নির্বাচনে টেক্সাসের সীমান্তবর্তী যেসব এলাকায় ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন বেড়েছিল, সেখানেও এবার ভালো ফল করেছেন ডেমোক্র্যাটরা।
কানসাসের সেওয়ার্ড কাউন্টিতে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী অ্যাডাম হ্যামিলটন রিপাবলিকান সিনেটর রজার মার্শালের চেয়ে ১৩ শতাংশ পয়েন্টে এগিয়ে ছিলেন। ওই কাউন্টির ভোটারদের প্রায় অর্ধেক হিস্পানিক। অথচ দুই বছর আগে সেখানে ৩৯ শতাংশ পয়েন্টের ব্যবধানে জয় পেয়েছিলেন ট্রাম্প।
রিপাবলিকান দলের প্রাথমিক নির্বাচনে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপও কয়েকটি আসনে দলটির জন্য নেতিবাচক হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। নর্থ ক্যারোলাইনার সিনেটর থম টিলিস ট্রাম্পের অভ্যন্তরীণ নীতির সমালোচনা করায় তাঁর বিরাগভাজন হন। পরে টিলিস নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালে তাঁর আসনে সহজেই জয় পান ডেমোক্র্যাট রয় কুপার।
টেক্সাসে দীর্ঘদিনের সিনেটর জন কর্নিনের পরিবর্তে বিতর্কিত অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটনকে সমর্থন দিয়েছিলেন ট্রাম্প। এতে দলীয় প্রাথমিক নির্বাচনে কর্নিন হেরে যান। পরে সাধারণ নির্বাচনে প্যাক্সটনকে পরাজিত করেন ডেমোক্র্যাট জেমস তালারিকো।
সাউথ ক্যারোলাইনাতেও লিন্ডসে গ্রাহামের মৃত্যুর পর তাঁর বোন ডারলিন গ্রাহামকে সমর্থন দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তবে ডেমোক্র্যাট অ্যানি অ্যান্ড্রুজের কাছে প্রায় চার শতাংশ ব্যবধানে হেরে যান ডারলিন।
পরাজয় মেনে নিলেও দায় নিতে নারাজ ট্রাম্প
নির্বাচনের ফল মেনে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, ফল মেনে নিচ্ছি। কেন নেব না?’ ডেমোক্র্যাটদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, তাঁরা ভালো করেছেন। তবে এই ফলকে নিজের বিরুদ্ধে ভোটারদের রায় হিসেবে দেখতে রাজি নন তিনি।
ইরানের যুদ্ধ রিপাবলিকানদের পরাজয়ে ভূমিকা রেখেছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমার মনে হয়, এর একটি অংশ ছিল ইরান। তবে একই সঙ্গে মানুষ ইরানের বিষয়ে আমি যা করেছি, তার গুরুত্বও বুঝেছে।’
রিপাবলিকানদের পরাজয়ের জন্য নির্বাচনে নিজের নাম না থাকাকেও কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, তিনি ব্যালটে থাকলে রিপাবলিকানরা বিপুল ব্যবধানে জয়ী হতো।
সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের নেতা চাক শুমার ওয়াশিংটনে বলেন, ‘সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে আমরা সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেয়েছি।’ তাঁর ভাষ্য, রিপাবলিকানরা ট্রাম্পের জনপ্রিয়তাহীন নীতির সঙ্গে থেকেছেন। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটরা সাধারণ মানুষের কথা শুনেছেন এবং তাঁদের জীবনযাত্রার ব্যয় ও দুর্ভোগকে গুরুত্ব দিয়েছেন।
প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার হতে পারেন হাকিম জেফ্রিস
প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় দলটির নেতা নিউইয়র্কের আইনপ্রণেতা হাকিম জেফ্রিস স্পিকার হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকবেন। তবে এ পদে নির্বাচিত হতে হলে পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন পেতে হবে তাঁকে।
জেফ্রিস নির্বাচিত হলে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার হবেন। স্পিকার হিসেবে তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড তদন্তে প্রতিনিধি পরিষদের কমিটিগুলোকে নির্দেশ দিতে পারবেন।
নির্বাচনের পর দেওয়া বক্তব্যে জেফ্রিস বলেন, ‘আজ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর যাত্রা শুরু হলো।’ জনগণ চরমপন্থা ও দুর্নীতিতে ক্লান্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁরা এমন একটি কংগ্রেস চান, যা তাঁদের জন্য কাজ করবে।
আবাসন ও স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় কমানোর পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সুরক্ষার ওপর গুরুত্ব দেন জেফ্রিস। একই সঙ্গে ট্রাম্প ও কংগ্রেসের রিপাবলিকান সদস্যদের করা ২০২৫ সালের ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল’-এর সমালোচনা করেন তিনি। ওই আইনে দরিদ্র ও প্রতিবন্ধীদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচি মেডিকেইডে বড় ধরনের ব্যয়সংকোচনের বিধান রয়েছে।
ট্রাম্পের শুল্কনীতি নিয়ে তদন্তের সুযোগ
কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাওয়ায় ট্রাম্পের শুল্কনীতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা ও তদন্তের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে দ্বিতীয় মেয়াদে অধিকাংশ শুল্ক আরোপ করায় সেগুলো প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে ডেমোক্র্যাটদের ক্ষমতা সীমিত থাকবে।
বাণিজ্য আইন বিশেষজ্ঞ ও কংগ্রেসের কর্মকর্তাদের মতে, কানাডার পণ্যের ওপর আরোপিত শুল্কসহ ট্রাম্পের কিছু শুল্ক প্রত্যাহারে আইন পাসের চেষ্টা করতে পারেন ডেমোক্র্যাটরা। তবে এ ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের ভেটো ক্ষমতা বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
এ ছাড়া বাণিজ্যবিষয়ক কংগ্রেসীয় কমিটিগুলোর নিয়ন্ত্রণ পেলে ট্রাম্পের বাণিজ্যনীতি নিয়ে শুনানি ও তদন্ত শুরু করতে পারবেন ডেমোক্র্যাটরা। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে শত শত কোটি ডলারের বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি এবং শুল্ক ছাড় দেওয়ার প্রক্রিয়াও তদন্তের আওতায় আসতে পারে।
শেয়ারবাজারে অনিশ্চয়তা, নজরদারি বাড়তে পারে এআই খাতে
নির্বাচনের ফল যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিনিয়োগকারীরা। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), প্রতিরক্ষা ব্যয়, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যাংকিং ও ক্রিপ্টোকারেন্সি খাতে সরকারি নীতির পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে গেলে এআই কোম্পানিগুলোর ওপর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ বাড়তে পারে। বিশেষ করে এআই প্রযুক্তির জন্য বড় আকারের ডেটা সেন্টার নির্মাণ নিয়ে সাধারণ মানুষের বিরোধিতা বাড়ছে।
জেপি মরগান অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রধান বাজার কৌশলবিদ তাই হুই বলেন, বাণিজ্য ও শুল্কনীতি, পররাষ্ট্রনীতি এবং বিদ্যমান বিধিবিধানের ক্ষেত্রে ট্রাম্পের প্রভাব বজায় থাকবে। তবে ট্রাম্পের ভেটো ক্ষমতা বাতিল করার মতো দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা ডেমোক্র্যাটরা পাবেন না।
এদিকে নির্বাচনের ফল এসেছে এমন এক সময়ে, যখন এআই কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দরপতন বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। মঙ্গলবার রাতে এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচকের ফিউচার দর ১ দশমিক ২ শতাংশ এবং নাসডাকের ফিউচার দর ২ দশমিক ১ শতাংশ কমে যায়।
সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার পর চাক শুমার বলেন, রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটিতেও জয় পাওয়ার পেছনে প্রার্থী বাছাই এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে প্রচারণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তাঁর ভাষায়, সিনেটের নির্বাচনি মানচিত্রে প্রজন্মান্তরের পরিবর্তন এসেছে। এখন ডেমোক্র্যাটদের দায়িত্ব জনগণের পরিবর্তনের প্রত্যাশা পূরণ করা।