মঙ্গলবার ওই শিক্ষিকাকে রক্তাক্ত ও গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় আল ফালাহ চিকিৎসালয়ে নিয়ে যাওয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, হট্টগোল শুনে তারা এগিয়ে এসে দেখতে পান মুখোশ পরা এক ব্যক্তি ওই শিক্ষিকার ওপর অনবরত হামলা চালাচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানের নজরদারি ক্যামেরার চিত্রে দেখা যায়, হামলাকারী যুবকের আহ্বানে শিক্ষিকা বাইরে এলেই সে তাঁর শ্বাসরোধ করে ধরে এবং চেহারায়, ঘাড়ে, বুকে ও তলপেটে ক্রমাগত আঘাত হানতে থাকে। এ সময় তাঁকে বাঁচাতে প্রশাসনিক কর্মকর্তা এগিয়ে এলে আততায়ী তাঁকে ভয় দেখিয়ে দ্রুত গতিতে রেজিস্ট্রেশন নম্বরহীন এক দুচাকার যানে চেপে সটকে পড়ে।
প্রাণ হারানো ওই শিক্ষকের নাম সন্ধ্যা। দুর্ঘটনার মাত্র দুই ঘণ্টার ব্যবধানে অভিযুক্ত ২১ বছর বয়সী তরুণ অমিতকে জালে তোলে স্থানীয় পুলিশ। পুলিশি অনুসন্ধানে জানা গেছে, কোট এলাকার বাসিন্দা অমিত অনেক দিন ধরেই ওই নারী শিক্ষিকাকে হয়রানি করে আসছিল। পূর্বের এক উত্ত্যক্তকরণের জেরে সন্ধ্যার করা অভিযোগের কারণে অমিত প্রকাশ্যে অনুশোচনা জানালেও মনে ক্ষোভ পুষে রেখেছিল এবং সেই আক্রোশ থেকেই সে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিকার করেছে।