মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ বিভিন্ন অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত ১২৭ জন বিদেশি বন্দিকে তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে, যাদের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি অর্থাৎ ৬৪ জনই বাংলাদেশি নাগরিক।
সোমবার (৬ এপ্রিল) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহজুড়ে পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন ডিপো থেকে এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।
ইমিগ্রেশন বিভাগের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ফেরত পাঠানো বন্দিদের তালিকায় বাংলাদেশিদের পাশাপাশি মিয়ানমারের ২১ জন, ভারতের ১৪ জন, পাকিস্তানের ১২ জন, নেপালের ৬ জন, ভিয়েতনামের ৬ জন এবং থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, চীন ও নাইজেরিয়ার একজন করে নাগরিক রয়েছেন। সাজা ভোগ করা এই ব্যক্তিদের কেএলআইএ-১, কেএলআইএ-২ এবং সিনাই ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ব্যক্তিরা মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩, ইমিগ্রেশন বিধিমালা ১৯৬৩, বিপজ্জনক মাদক আইন ১৯৫২ এবং নির্যাতন আইনসহ (অ্যাক্ট-৫৭৪) বিভিন্ন গুরুতর অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে কারাভোগ করছিলেন। আইনি প্রক্রিয়া ও নির্ধারিত সাজা শেষ হওয়ার পর প্রশাসনিক নিয়ম মেনেই তাদের দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ আরও স্পষ্ট করেছে যে, প্রত্যাবাসিত এই ১২৭ জন নাগরিকের প্রত্যেকের নাম ইমিগ্রেশন বিভাগের কালো তালিকায় (ব্ল্যাকলিস্ট) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তারা কোনো উদ্দেশ্যেই পুনরায় মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারবেন না। অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে দেশটির কঠোর অবস্থানের অংশ হিসেবেই নিয়মিত এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।