সোমবার, 19 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

৯৫ বার পেছাল রিজার্ভ চুরির মামলার প্রতিবেদন

মামলার তদন্ত প্রতিবেদন এখনও জমা পড়েনি। তদন্ত সংস্থা সিআইডি বারবার সময় নিয়েও প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় সর্বশেষ সোমবার মামলার অগ্রগতি আরও একবার পিছিয়েছে। এ নিয়ে প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ মোট ৯৫ বারের মতো পেছাল।

৯৫ বার পেছাল রিজার্ভ চুরির মামলার প্রতিবেদন
ছবি : সংগৃহীত

মামলার তদন্ত প্রতিবেদন এখনও জমা পড়েনি। তদন্ত সংস্থা সিআইডি বারবার সময় নিয়েও প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় সর্বশেষ সোমবার মামলার অগ্রগতি আরও একবার পিছিয়েছে। এ নিয়ে প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ মোট ৯৫ বারের মতো পেছাল।

ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম জশিতা ইসলামের আদালতে সোমবার প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা সিআইডি প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত আগামী ২ জুলাই নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছে বলে প্রসিকিউশন বিভাগ নিশ্চিত করেছে।

২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি সুইফট কোড ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি করে ফিলিপাইনে স্থানান্তর করা হয়। দেশের ভেতরের একটি চক্রের সহায়তায় এই অর্থ পাচার হয়েছে বলে তৎকালীন সময়ে ধারণা করা হয়। পরবর্তীতে ওই বছরের ১৫ মার্চ মতিঝিল থানায় অর্থপাচার প্রতিরোধ আইনে মামলা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের যুগ্ম পরিচালক জুবায়ের বিন হুদা। মামলায় সরাসরি কাউকে আসামি না করে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় সিআইডিকে।

চুরি হওয়া অর্থের মধ্যে ফিলিপাইনের ক্যাসিনোগুলোতে পৌঁছানো দেড় কোটি ডলার স্থানীয় সরকার উদ্ধার করে বাংলাদেশকে ফেরত দিলেও বাকি ৬ কোটি ৬৪ লাখ ডলার এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এই অর্থ উদ্ধারের লক্ষ্যে ২০১৯ সালে নিউইয়র্কের ম্যানহাটন সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে মামলা করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশনের (আরসিবিসি) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২২ সালের এপ্রিলে আদালত পর্যাপ্ত এখতিয়ার না থাকার কারণ দেখিয়ে মামলাটি খারিজ করে দেয়। পরবর্তীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে নিউ ইয়র্কের সংশ্লিষ্ট এখতিয়ারভুক্ত আদালতে পুনরায় মামলা দায়ের করা হয়।