আলোচনাকালে দেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার দুর্বলতা তুলে ধরে তা সংস্কারের তাগিদ দেন রাষ্ট্রপতি। তিনি মনে করেন, অতীতের অনিয়ন্ত্রিত অনুমোদন প্রক্রিয়ার কারণে মানহীন প্রতিষ্ঠান তৈরি হয়েছে, যা দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে বিভিন্ন ধারার শিক্ষাপদ্ধতিকে একটি কাঠামোর অধীনে এনে সমন্বিত ব্যবস্থা চালুর পরামর্শ দেন তিনি।
পাশাপাশি বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও প্রবাসী আয় বাড়াতে কারিগরি এবং পেশাগত শিক্ষায় মনোযোগ দেওয়ার কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, দেশের সাহিত্য, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সাথে কাজের বাজারের চাহিদাকে মিলিয়ে পুরো শিক্ষাকাঠামো নতুনভাবে সাজানো দরকার।
বৈঠকে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ভূমিকা, উচ্চশিক্ষার অগ্রগতি এবং দক্ষ লোকবল তৈরির বিষয়টি আলোকপাত করেন। তারা নতুন প্রতিষ্ঠান মঞ্জুরির ক্ষেত্রে গুণগত মান, আর্থিক সামর্থ্য এবং বিষয়ভিত্তিক প্রয়োজনীয়তাকে প্রাধান্য দেওয়ার বিষয়ে মতামত দেন।
শিক্ষার মান উন্নয়নে গবেষণার স্বাধীনতা, পিএইচডি ডিগ্রি চালুর অনুমতি এবং উদ্ভাবনের বাণিজ্যিকিকরণের দাবি জানান সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। কর্মক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সুনির্দিষ্ট সুযোগ তৈরি করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বিশ্বভাষা শেখা, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সাথে যোগসূত্র এবং হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের সমন্বয়ে আধুনিক পাঠ্যক্রম প্রণয়নের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন তারা।