কমিশনের সাম্প্রতিক অগ্রগতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে দুদক চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, কোনো ব্যক্তির পরিচয় বা সামাজিক অবস্থান বিবেচনা করে কমিশন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে না। তিনি নিশ্চিত করেন, প্রশাসনিক কাজে পূর্ণচ্ছদ স্বচ্ছতা বজায় রাখা হচ্ছে এবং বাহ্যিক কোনো রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক চাপ ছাড়াই সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ চালাচ্ছে সংস্থাটি।
দ্বিতীয় কর্মদিবসে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা বিপুল পরিমাণ নথিপত্র নিষ্পত্তির বিষয় নিশ্চিত করা হলেও, সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার বিবরণ তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
দুদক সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নীতিনির্ধারক অনুপস্থিত থাকার কারণে পূর্ববর্তী সময়ে মামলা দায়েরের ছাড়পত্র, প্রাথমিক অনুসন্ধানের সবুজ সংকেত এবং চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন বা চার্জশিট অনুমোদনের ফাইলগুলো স্থবির হয়ে পড়েছিল। নতুন নেতৃত্ব দায়িত্বভার গ্রহণের সাথে সাথেই পর্যায়ক্রমে সেই জট ছাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এর পূর্বে প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালেও প্রধান কমিশনার স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে আইনানুগ কাজ সম্পাদন করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছিলেন।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের নবগঠিত কমিশন দুর্নীতি দমন দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। কমিশনার হিসেবে তাঁদের সাথে যুক্ত রয়েছেন ড. জাহাঙ্গীর আলম খান এবং ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া।