স্থানীয় ধর্মীয় উপাসনালয় সংলগ্ন প্রাঙ্গণে মরহুমের শেষ নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরিবারিক ও প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ওই প্রবীণ ব্যক্তিত্ব। মৃত্যুকালে তিনি বহু সন্তান ও গুণগ্রাহী রেখে যান।
পিতৃহীন হওয়ার বার্তা পেয়ে কারাগারে বন্দি সন্তান শেষবিদায় জানাতে সাময়িক মুক্তির প্রশাসনিক আবেদন পেশ করেন। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গাজীপুরের আঞ্চলিক বিচারিক পর্যায় থেকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য শর্তসাপেক্ষ মুক্তির অনুমোদন দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে গাজীপুরের কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বিশেষ নিরাপত্তা বেষ্টনীতে প্রিজন ভ্যানে করে তাকে নিজ গ্রামে নিয়ে আসা হয়। নিজ জন্মস্থানে পৌঁছে স্বজনের মরদেহ দর্শনের সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। পরবর্তীতে হাতে বিশেষ শৃঙ্খল পরিহিত অবস্থায় পিতার শেষকৃত্য সম্পাদন করেন। আনুষ্ঠানিকতা শেষে আবার তাকে কারাফাটকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
কারাগারে থাকা ওই ব্যক্তির স্বজনরা জানান, গত বছরের শেষভাগে রাজধানী ঢাকা থেকে তাকে আটক করা হয় এবং এরপর থেকেই তিনি গাজীপুরের কারাগারে বন্দি আছেন। স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রাজধানীতে দায়ের করা মামলার সূত্র ধরে তিনি আটক রয়েছেন এবং নির্দিষ্ট মেয়াদের শর্তসাপেক্ষ মুক্তি শেষে তাকে পুনরায় আইনানুগ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।


