মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতিতে তেহরানের বিরুদ্ধে চরম সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণের কড়া বার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দরকার হলে দেশটির যেটুকু অবশিষ্ট রয়েছে, সেটিও নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি ওয়াশিংটনের পরবর্তী কৌশল কী হতে যাচ্ছে, তা খুব দ্রুতই সবার সামনে স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান।
বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এই সতর্কবার্তা দেন। এ সময় তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার যেন আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে আমেরিকা আরও অগ্রসর হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এখন এসেছে। তিনি আরও জানান যে, তিনি নিজে থেকে দেশটির বাকি অঞ্চলগুলো ধ্বংস করার পক্ষে নন, তবে পরিস্থিতি বাধ্য করলে তাকে হয়তো সেই চরম পথেই হাঁটতে হবে এবং এর পরিণতি অচিরেই সবাই দেখতে পাবে।
আমেরিকা ও ইসরাইলের সঙ্গে তেহরানের যে সংঘাত চলছে, তার ভয়াবহতা উল্লেখ করে ট্রাম্প দাবি করেন, বর্তমান ধ্বংসযজ্ঞ কাটিয়ে উঠে আগের অবস্থায় ফিরতে তাদের অন্তত পঁচিশ বছর সময় লেগে যাবে।
অন্যদিকে, নিজস্ব পরমাণু প্রকল্পের ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের কাছে তেহরান একটি বার্তা পাঠিয়েছে বলে বিভিন্ন খবরে উঠে এসেছে। এই প্রক্রিয়ায় মার্কিন প্রশাসনের কোনো ভূমিকা আছে কি না, সাংবাদিকদের এমন জিজ্ঞাসার প্রেক্ষিতে ট্রাম্প স্পষ্ট জানান যে, আমেরিকার সম্মতি ছাড়া তারা কোনো পদক্ষেপই নিতে পারছে না। তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।