শনিবার, 17 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অবস্থায় থাকা কর্মীদের দেশে ফেরার নির্দেশনা, সহায়তায় প্রস্তুত বাংলাদেশ হাইকমিশন

হাইকমিশনের প্রথম সচিব (প্রেস) মো. তরিকুল ইসলাম জানান, মালয়েশিয়া সরকারের পরিচালিত 'মাইগ্র্যান্ট রিপ্যাট্রিয়েশন প্রোগ্রাম ২.০' (বিআরএম ২.০) কর্মসূচির মাধ্যমে উপযুক্ত কাগজপত্র বিহীন অবৈধ কর্মীরা কোনো আইনি ঝামেলা ছাড়াই নিজ দেশে ফেরার সুযোগ পাচ্ছেন।

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অবস্থায় থাকা কর্মীদের দেশে ফেরার নির্দেশনা, সহায়তায় প্রস্তুত বাংলাদেশ হাইকমিশন
মালয়েশিয়ায় অবৈধ অবস্থায় থাকা প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছে কুয়ালালামপুরস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন। সম্প্রতি মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের একটি বার্তা প্রকাশ করে প্রবাসীদের নিরাপদে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

হাইকমিশনের প্রথম সচিব (প্রেস) মো. তরিকুল ইসলাম জানান, মালয়েশিয়া সরকারের পরিচালিত 'মাইগ্র্যান্ট রিপ্যাট্রিয়েশন প্রোগ্রাম ২.০' (বিআরএম ২.০) কর্মসূচির মাধ্যমে উপযুক্ত কাগজপত্র বিহীন অবৈধ কর্মীরা কোনো আইনি ঝামেলা ছাড়াই নিজ দেশে ফেরার সুযোগ পাচ্ছেন।

হাইকমিশনের নির্দেশনামতে, এই সুযোগ নিতে ইচ্ছুক কর্মীদের অগ্রাধিকারভিত্তিতে কিছু নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। আবেদনে ইচ্ছুকদের অবশ্যই বৈধ ও হালনাগাদ মেয়াদযুক্ত মূল পাসপোর্ট সঙ্গে রাখতে হবে। যাদের পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়েছে কিংবা পাসপোর্ট নেই, তাদের দ্রুত হাইকমিশন থেকে বিকল্প হিসেবে ট্রাভেল পারমিট সংগ্রহ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশে ফেরার জন্য বিমান টিকিট নিশ্চিত করতে হবে, যা ইমিগ্রেশন অ্যাপয়েন্টমেন্টের ন্যূনতম পাঁচ দিন পর থেকে চৌদ্দ দিনের মধ্যবর্তী সময়ের হতে হবে।

সংশ্লিষ্টদের ব্যক্তিগতভাবে নির্ধারিত ইমিগ্রেশন অফিসে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, পুরোনো ও নতুন পাসপোর্ট এবং টিকিটের কপিসহ আবেদন জমা দিতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ করা হবে না। অভিবাসন নীতি অনুযায়ী ধার্যকৃত ফি ও জরিমানা শুধুমাত্র ইমিগ্রেশনের অনুমোদিত উপায়েই পরিশোধ করতে হবে।

দূতাবাস থেকে জোর দিয়ে সতর্ক করা হয়েছে যে, সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটিতে কোনো দালাল বা তৃতীয় পক্ষকে অর্থ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। অনিয়মিত কর্মীদের কোনো বিভ্রান্তিতে না পড়ে শেষ মুহূর্তের জটিলতা এড়াতে সরাসরি বাংলাদেশ হাইকমিশন বা স্থানীয় ইমিগ্রেশন কার্যালয়ে যোগাযোগ রেখে দ্রুত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।