শনিবার, 17 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে এখনই নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির কোনো পরিকল্পনা নেই পাকিস্তানের

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে এখনই নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির কোনো পরিকল্পনা নেই পাকিস্তানের
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ প্রতিরক্ষা কাঠামো প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পুরোপুরি শক্তিশালী না হওয়া পর্যন্ত মক্কা চুক্তিতে নতুন কোনো দেশ যুক্ত করার পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে ইসলামাবাদ।

গত বৃহস্পতিবার আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাজ্জাদ হায়দার খান।

তিনি জানান, প্রাথমিক চুক্তি স্বাক্ষরকারী তিন দেশের অভ্যন্তরীণ প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় ও সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করাই এখন মূল লক্ষ্য। সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর সমভাবাপন্ন অন্যান্য দেশের অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে, তবে বর্তমানে নতুন অংশীদার যুক্ত করা নিয়ে কোনো আলোচনা চলছে না।

প্রতিরক্ষা চুক্তির দায়বদ্ধতা প্রতিপালনে পাকিস্তান পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকলেও সম্প্রতি সৌদি আরবের ভূখণ্ডে ইয়েমেনের হুথি বাহিনীর হামলার জবাবে তাৎক্ষণিক সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনাকে কাল্পনিক বলে অভিহিত করেন তিনি।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে ইরান সমর্থিত হুথি সশস্ত্র গোষ্ঠী সৌদি আরবের খামিস মুশাইতের একটি বিমানঘাঁটি এবং আশপাশের একাধিক জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চালায়। এতে অন্তত ৭৩ জন বেসামরিক নাগরিক আঘাতপ্রাপ্ত হন।

গত আগস্টে তিনটি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত এই সামরিক চুক্তির বিধান অনুযায়ী, চুক্তিবদ্ধ যে কোনো এক সদস্যের ওপর আক্রমণ বাকি দেশগুলোর ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। সেই প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ জানিয়েছিলেন, রিয়াদের ওপর আঘাত আসলে প্রয়োজনে প্রতিরক্ষা চুক্তির ধারাসমূহ সক্রিয় করা হতে পারে।

তবে পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র জানান, বিদ্যমান নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে এই মুহূর্তে তিন দেশের মধ্যে কোনো আলোচনা বা সিদ্ধান্ত হয়নি। পাকিস্তান প্রয়োজনের সময়ে চুক্তি অনুযায়ী নিজের ভূমিকা পালন করবে।

সূত্র : বিবিসি