শনিবার, 17 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

বিএনপি ক্ষমতার জন্য নয়, জনগণের জন্য রাজনীতি করে : এলজিআরডি মন্ত্রী

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি ক্ষমতার লোভে নয়, বরং সাধারণ মানুষের কল্যাণ ও সেবার উদ্দেশ্যেই রাজনীতি পরিচালনা করে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

বিএনপি ক্ষমতার জন্য নয়, জনগণের জন্য রাজনীতি করে : এলজিআরডি মন্ত্রী

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি ক্ষমতার লোভে নয়, বরং সাধারণ মানুষের কল্যাণ ও সেবার উদ্দেশ্যেই রাজনীতি পরিচালনা করে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

নরসিংদীর পলাশ উপজেলা আধুনিক মাল্টিপারপাস অডিটোরিয়ামে দলটির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানান, ক্ষমতার আকাক্সক্ষা বিএনপির রাজনীতির মূল ভিত্তি নয়। জনগণ যদি সমর্থন দিয়ে দেশ পরিচালনার সুযোগ করে দেয়, তবেই দলটি সেই দায়িত্ব গ্রহণ করবে। অন্যথায় জোরপূর্বক রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের কোনো ইতিহাস বা সংস্কৃতি বিএনপির নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

দলের প্রতিষ্ঠাকালীন লক্ষ্যের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র পুনরদ্ধার, নাগরিক স্বাধীনতা রক্ষা এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের তাগিদ থেকেই বিএনপির জন্ম হয়েছিল। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে একটি মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে তুলে ধরাও ছিল দলটির অন্যতম মূল লক্ষ্য।

তিনি উল্লেখ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি যে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের আদর্শ সূচনা করেছিলেন, তার মূল সুরই ছিল ধর্ম, বর্ণ বা দলীয় পরিচয় নির্বিশেষে সকল নাগরিককে এক সুতোয় বাঁধা। নতুন প্রজন্মের কাছে বিএনপির এই সুদীর্ঘ ও গৌরবময় ইতিহাস তুলে ধরার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

মন্ত্রী আরও যুক্ত করেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সুদৃঢ় ভিত্তির পর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বিএনপি দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক ও মৌলিক অধিকার রক্ষায় অবিচল রয়েছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরে একটি বৈষম্যহীন ও শক্তিশালী নতুন বাংলাদেশ গড়ার আশাবাদ প্রকাশ করেন তিনি।

ড. মঈন খান এমন এক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার স্বপ্ন ব্যক্ত করেন, যেখানে ধন বৈষম্য কমে আসবে, সাধারণ মানুষের সামাজিক সংকট দূর হবে এবং নারী ও শিশুসহ সর্বস্তরের মানুষের অধিকার সুরক্ষিত থাকবে।

নিজ নির্বাচনী এলাকার মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, প্রায় ছয় মাস আগের নির্বাচনে পলাশের জনগণ ভোট দিয়ে তাঁকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছিলেন। সেই আস্থার ফলেই আজ তিনি এই দায়িত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করার সুযোগ পেয়েছেন। প্রাপ্ত এই আমানত ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।