সংবাদ সম্মেলনে বর্তমান সরকারের বিগত ছয় মাসের বিভিন্ন কার্যক্রমের সমালোচনা করে বক্তব্য রাখেন সারজিস আলম। তিনি অভিযোগ করেন, প্রশাসনিক বিভিন্ন কার্যক্রমে পূর্ববর্তী সরকারের ফ্যাসিবাদের পুনর্বাসনের রূপ স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয় ও বাজার পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে আগামী মাস থেকেই নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের জোর দাবি জানান তিনি। তিনি বলেন, বর্তমানে সরকারি কর্মচারীদের প্রাপ্ত বেতন দিয়ে বর্তমান বাজারে ১৫ দিন চলাই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে, অথচ সরকার এই পে-স্কেল বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে।
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে প্রবাসীদের ভোগান্তির কথা তুলে ধরা হয়। সেখানে পুনরায় ২৫ জনের সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে ওঠার প্রক্রিয়ায় সরকারের উচ্চপর্যায়ের যোগসাজশের অভিযোগ তোলেন সারজিস আলম।
বন্দরনগরী চট্টগ্রামের উন্নয়ন প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি জানান, দেশের প্রধান বাণিজ্যিক রাজধানী হওয়া সত্ত্বেও এখানকার স্বাস্থ্য খাত ও সড়ক অবকাঠামো চরম বেহাল দশায় রয়েছে। সামান্য চিকিৎসার জন্যও সাধারণ মানুষকে ঢাকা মুখী হতে হচ্ছে। বর্ষাকাল শেষ হলে নীতিনির্ধারকরা শহরের জলজট ও উন্নয়ন সমস্যা ভুলে যান বলে তিনি মন্তব্য করেন।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার, কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ, জাতীয় যুব শক্তির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ সোহেল, জাতীয় ছাত্র শক্তির আহ্বায়ক আবু বকর মজুমদার, সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাত রশিদ, এনসিপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ এস এম সুজাউদ্দিন ও চট্টগ্রাম মহানগর সদস্য সচিব আরিফ মঈনুদ্দিনসহ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।