মঙ্গলবার, 18 আগস্ট 2026
সকল বিভাগ

ওমানের বিরুদ্ধে বোমাবর্ষণের কড়া হুমকি ট্রাম্পের

ইরানের সঙ্গে সামরিক সংঘাত নিষ্পত্তির চেষ্টা চলাকালে ওমান বাধা হয়ে দাঁড়ালে মধ্যপ্রাচ্যের ওই দেশটিতে বোমাহামলার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রায় অর্ধবছর ধরে চলা এই সংঘাতের অবসান ঘটাতে ওয়াশিংটন যখন নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি, ঠিক তখনই ১৭ আগস্ট সোমবার আমেরিকার প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে এই কড়া বক্তব্য সামনে এলো।

ওমানের বিরুদ্ধে বোমাবর্ষণের কড়া হুমকি ট্রাম্পের

ইরানের সঙ্গে সামরিক সংঘাত নিষ্পত্তির চেষ্টা চলাকালে ওমান বাধা হয়ে দাঁড়ালে মধ্যপ্রাচ্যের ওই দেশটিতে বোমাহামলার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

প্রায় অর্ধবছর ধরে চলা এই সংঘাতের অবসান ঘটাতে ওয়াশিংটন যখন নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি, ঠিক তখনই ১৭ আগস্ট সোমবার আমেরিকার প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে এই কড়া বক্তব্য সামনে এলো।


ফক্স নিউজের প্রতিনিধি ট্রে ইংস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালি কেন্দ্রিক তেহরান ও ওয়াশিংটনের কোনো চুক্তির অগ্রগতিতে ওমান কোনো রূপ বাধা তৈরি করলে দেশটির ওপর ব্যাপক মাত্রায় বোমাবর্ষণ করা হবে। পাশাপাশি তিনি তেহরানকে অবিলম্বে বৈরী আচরণ বন্ধ করে নতিস্বীকার করার পরামর্শ দেন।

সংঘাত দ্রুতই সমাপ্তির দিকে যাবে বলে মার্কিন রাষ্ট্রপ্রধান প্রতিনিয়ত দাবি করে আসছেন। এমনকি সাম্প্রতিক সময়গুলোতে টেকসই শান্তিপাত প্রতিষ্ঠার জোর বার্তা দেওয়া সত্ত্বেও মাঠপর্যায়ে এর কোনো বাস্তব ফল প্রকাশ পায়নি। ইরানি ভূখণ্ডে হামলার ঘটনা ঘটার পর থেকেই এই ভূরাজনৈতিক কৌশলী নৌপথটি দিয়ে বাণিজ্যিক ভেসেল আসা-যাওয়া বন্ধ রয়েছে। ভৌগোলিকভাবে গুরুত্ববহ এই সমুদ্রপথটির উত্তরাংশে ইরান এবং নিম্নাংশে ওমানের অবস্থান হওয়ায় এর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রাষ্ট্র দুটি নিজেদের মধ্যে বৈঠক চালিয়ে যাচ্ছে।

ভবিষ্যতে উক্ত পানিপথ ব্যবহার করে বাণিজ্যিক নৌযান চলাচল পুনর্গঠনের উপায় নিয়ে দুই দেশের দায়িত্বশীল প্রতিনিধিরা কয়েক সপ্তাহ যাবৎ পারস্পরিক আলোচনা অব্যাহত রেখেছেন। ইরানের পররাষ্ট্র দপ্তর থেকেও ইতিপূর্বে যৌথ সম্মতিপত্র চূড়ান্তকরণের অগ্রগতির কথা জানানো হয়েছিল। কিন্তু ট্রাম্প শুরু থেকেই দাবি করছেন যে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে লড়াই শুরু হওয়ার প্রাক্কালেই তেহরান এই নৌপথ অবরুদ্ধ করে রেখেছিল। একই সাথে গোটা প্রণালিটি বর্তমানে ওয়াশিংটনের অধীনেই রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, গত মে মাসে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার এক বৈঠকেও আলোচনা প্রসঙ্গে মার্কিন ট্রাম্প প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছিল যে, ওমান যদি আশানুরূপ প্রতিক্রিয়া না দেখায় তবে দেশটির ওপর ভয়াবহ সামরিক ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হবে।

Advertisement
Sample creative for Bottom Leaderboard
Advertisement