শনিবার, 17 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

আলোচিত তোফাজ্জল হত্যাকাণ্ডে পলাতক ২২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে মানসিক ভারসাম্যহীন তোফাজ্জল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার মামলায় ২৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন আদালত। তাদের মধ্যে ২২ জন পলাতক, যাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

আলোচিত তোফাজ্জল হত্যাকাণ্ডে পলাতক ২২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে মানসিক ভারসাম্যহীন তোফাজ্জল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার মামলায় ২৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন আদালত। তাদের মধ্যে ২২ জন পলাতক, যাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ঢাকার মহানগর হাকিম জুয়েল রানা অভিযোগপত্র গ্রহণ করে এই আদেশ দেন।

আসামিদের মধ্যে রয়েছে: জালাল মিয়া, আহসান উল্লাহ ওরফে বিপুল শেখ, আল হোসাইন সাজ্জাদ, মোত্তাকিন সাকিন শাহ, সুমন মিয়া, ওয়াজিবুল আলম, ফিরোজ কবির, আব্দুস সামাদ, সাকিব রায়হান, ইয়াছিন আলী, ইয়ামুজ্জামান ওরফে ইয়াম, ফজলে রাব্বি, শাহরিয়ার কবির শোভন, মেহেদী হাসান ইমরান, রাতুল হাসান, সুলতান মিয়া, নাসির উদ্দিন, মোবাশ্বের বিল্লাহ, শিশির আহমেদ, মহসিন উদ্দিন ওরফে শাফি, আব্দুল্লাহিল কাফী, শেখ রমজান আলী রকি, রাশেদ কামাল অনিক, মনিরুজ্জামান সোহাগ, আবু রায়হান, রেদোয়ানুর রহমান পারভেজ, রাব্বিকুল রিয়াদ ও আশরাফ আলী মুন্সী।

এইদের মধ্যে আহসান উল্লাহ ওরফে বিপুল শেখ এবং ওয়াজিবুল আলম জামিনে আছেন। জালাল মিয়া, আল হোসেন সাজ্জাদ, মোত্তাকিন সাকিন শাহ এবং সুমন মিয়া বর্তমানে কারাগারে, বাকি ২২ জন পলাতক রয়েছেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই জিন্নাত আলী জানান, মামলার বাদী মোহাম্মদ আমানুল্লাহ অভিযোগপত্রে নারাজি দিতে চেয়েছিলেন, তবে শেষ পর্যন্ত নারাজি জমা দেননি।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ফজলুল হক মুসলিম হলে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের আগে হামলাকারীরা চুরি যাওয়া মোবাইল ফোনের ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৩৫ হাজার টাকা দাবি করেছিল। তোফাজ্জলের চাচা আব্দুর রব মিয়া টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে ক্রিকেটের স্টাম্প ও বাঁশের লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। গুরুতর আঘাত ও রক্তক্ষরণের কারণে তোফাজ্জলের মৃত্যু হয়।

গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি অভিযোগপত্রে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে শাহবাগ থানায় অজ্ঞাত দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যেখানে ঢাবির ২১ শিক্ষার্থীকে আসামি করা হয়। যদিও ঢাবির প্রক্টোরিয়াল টিম চার্জশিটে জবাব দিতে বিলম্বের কথা উল্লেখ করেনি।