সোমবার, 19 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশের সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব আরও সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। রাজধানীর সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সৌজন্য সাক্ষাতে দুই দেশের মধ্যে পানি, কৃষি, অবকাঠামো ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে যৌথ উদ্যোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সচিবালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব আরও সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। রাজধানীর সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সৌজন্য সাক্ষাতে দুই দেশের মধ্যে পানি, কৃষি, অবকাঠামো ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে যৌথ উদ্যোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। ওই সময় তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদারের আগ্রহের কথা জানান।

পরে বৈঠক সম্পর্কে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ঢাকা–ওয়াশিংটন উন্নয়ন সহযোগিতায় নতুন দিগন্ত উন্মোচনে কাজ করতে চায়। তিনি জানান, দেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে পানি সরবরাহ, কৃষি, অবকাঠামো এবং গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রযুক্তি, গবেষণা ও বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন।

মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ বিদেশি বিনিয়োগের জন্য সম্ভাবনাময় একটি বাজার। তাই আগ্রহী বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানানো হচ্ছে। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ানো এখন সময়ের দাবি বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলের গবেষণা ও সক্ষমতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে, যা ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট খাতে যৌথ উদ্যোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি কৃষি, জ্বালানি সহায়তা এবং সোলার প্যানেলসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

বৈঠক শেষে উভয় পক্ষই আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হয়ে উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নেবে।