বুধবার, 4 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে নবীর আদর্শে দেশ পরিচালনার অঙ্গীকার তারেক রহমানের

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এলে দেশের শাসন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শ অনুযায়ী পরিচালনার অঙ্গীকার করেছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সিলেট আলিয়া মাদরাসার মাঠে বিএনপির নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে নবীর আদর্শে দেশ পরিচালনার অঙ্গীকার তারেক রহমানের
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এলে দেশের শাসন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শ অনুযায়ী পরিচালনার অঙ্গীকার করেছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সিলেট আলিয়া মাদরাসার মাঠে বিএনপির নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।

তারেক রহমান বলেন, “মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ন্যায়বিচার, সততা, মানবিকতা ও সাম্যের ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালিত হলে সমাজে শান্তি ও সমৃদ্ধি ফিরিয়ে আনা সম্ভব, দেশের শান্তিশৃঙ্খলাও পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করা যায়।”

তিনি বিএনপির বিরোধী দলগুলোর নীতিকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করে বলেন, “কিছু রাজনৈতিক দল আল্লাহর সঙ্গে শিরক করে, বেহেশতের টিকিট বণ্টন করে। এটা কি ঠিক? এটা কি আল্লাহর সঙ্গে অবাধ্যতা নয়? যার মালিক আল্লাহ, যার অধিকার একমাত্র আল্লাহর—যারা অন্য কোনো দিক দিয়ে মানুষের উপর প্রভাব ফেলে, তারা আপনাদের ঠকাচ্ছে।”

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে তারেক রহমান বলেন, “দেশ স্বাধীন করতে লক্ষ মানুষের জীবন উৎসর্গ হয়েছে। তাদের অনেককে আমরা চিনে নিয়েছি, যারা দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষকে শহিদ করেছে, মা-বোনদের সম্মানহানি ঘটিয়েছে। এ কারণে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই কুফর, মিথ্যা ও হটকারিতার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো সক্রিয়। দেশে-বিদেশে বসে যারা ষড়যন্ত্র করছে, তাদের থেকে সচেতন থাকতে হবে। জনগণ আগেও ঐক্যবদ্ধ হয়ে ষড়যন্ত্র প্রতিহত করেছে, ভবিষ্যতেও করবে।”

গত ১৬ বছর দেশের রাজনৈতিক ও ভোটাধিকার সংক্রান্ত অবস্থা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এই সময়ে বহুবার ব্যালট ছিনতাই হয়েছে, আমি-ডামি নির্বাচন হয়েছে। দেশের জনগণকে অন্য দেশের কাছে বন্ধক রাখা হয়েছে। আমরা বলেছি—নয়, নয়, সবকিছুর আগে বাংলাদেশ।”

তারেক রহমান দেশের অর্থনৈতিক ও মানবিক পরিস্থিতি নিয়েও মন্তব্য করেন, “উন্নয়নের নামে জনগণের সম্পদ লুট হয়েছে এবং বিদেশে পাচার হয়েছে। যারা পালিয়ে গেছে, যারা বাক স্বাধীনতা ও ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছিল, তারাই ইলিয়াস আলীর মতো মানুষকে হত্যা করেছে। গুম-খুনের মামলা দিয়ে নিরীহ মানুষকে হয়রানি করা হয়েছে।”

তিনি শেষ করেন, “লাখ লাখ মানুষ এই জমায়েতের জন্য ২০২৪ সালে জীবন দিয়েছে। একাত্তরের স্বাধীনতা রক্ষার পাশাপাশি ২০২৪ সালের গণতন্ত্রকামী জনগণ ৫ আগস্ট স্বাধীনতাকে রক্ষা করেছে।”