মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কক্ষে আয়োজিত ‘কৃষক কার্ড’ বিষয়ক এক পর্যালোচনা সভায় তিনি নির্দেশনাবলী প্রদান করেন।
বৈঠকে সরকারপ্রধান উল্লেখ করেন, প্রতিকৃতি ও কিউআর কোড যুক্ত বিশেষ কৃষক পরিচয়পত্রে চাষির ব্যক্তিসত্তার পাশাপাশি ফলন তথ্য, সরকারি সাহায্য ও বাজার ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত যাবতীয় বিবরণ সংরক্ষিত থাকবে। আসল কৃষকের বিবরণ সুনিশ্চিত করেই এই পরিচয়পত্র তৈরির নির্দেশ প্রদান করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, কৃষকদের সেবা দিতে সঞ্চয়ী হিসাব খোলার কাজ ইতিপূর্বে শুরু হয়ে গেছে। কারিগরি প্রস্তুতি শেষ হওয়ামাত্রই ধাপে ধাপে প্রান্তিক চাষিদের হাতে এই বিশেষ কার্ড হস্তান্তর করা হবে।
প্রশাসনের তরফ থেকে প্রকাশ করা হয়, কৃষি খাতে প্রাপ্ত অনুদান, সুলভ ঋণ, উৎসাহ ভাতা ও সরকারি আনুকূল্য সরাসরি মূল উপকারভোগীর কাছে পৌঁছাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলমান অর্থবছরে ৪৩ লাখ চাষি এই সেবার আওতাভুক্ত হবেন। পরবর্তী তিন বছরের মধ্যে দেশের প্রায় দুই কোটি কৃষিজীবীকে এই ব্যবস্থার অধীনে নিয়ে আসার রূপরেখা রয়েছে।