যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিপুল পরিমাণ নতুন নথি প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। একসঙ্গে এত বড় পরিসরে এপস্টেইন-সংক্রান্ত নথি প্রকাশকে দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় তথ্য উন্মোচন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
শুক্রবার প্রকাশিত নথিগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রায় ৩০ লাখ পাতা, ১ লাখ ৮০ হাজার ছবি এবং ২ হাজার ভিডিও। এসব নথিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম শত শতবার উল্লেখ করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে নথিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নামও এসেছে।
এই তথ্য সামনে আসার পর ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা, সমালোচনা ও জল্পনা শুরু হয়েছে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতি দেয়। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক ভিডিও বিবৃতিতে বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদির নাম উল্লেখ থাকার দাবি পুরোপুরি ‘ভিত্তিহীন ও নিন্দনীয়’। তিনি দাবি করেন, এর বিশ্বাসযোগ্যতা নেই এবং বিষয়টি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা উচিত।
অন্যদিকে ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস এপস্টেইন-সংক্রান্ত নথিতে মোদির নাম আসাকে ‘জাতীয় লজ্জা’ বলে উল্লেখ করেছে এবং এ বিষয়ে আরও ব্যাখ্যা দাবি করেছে।
কংগ্রেসের রাজ্যসভার সদস্য জয়রাম রমেশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, মার্কিন সরকারের প্রকাশ করা সর্বশেষ নথিতে মোদির নাম একাধিকবার এসেছে। এ বিষয়ে সরকারের মুখপাত্রকে প্রতিক্রিয়া জানাতে হলেও এখনো অনেক প্রশ্ন রয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এ ছাড়া কংগ্রেস নেতা পবন খেরা সরাসরি প্রধানমন্ত্রী মোদির কাছ থেকে ব্যাখ্যা চেয়ে এক্সে লেখেন, বিষয়টি তাদের জন্য “জাতীয় লজ্জা”।