রবিবার, 18 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় দুই ফিলিস্তিনি নিহত

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার খান ইউনিস শহরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত দুজন ফিলিস্তিনি নাগরিক নিহত হয়েছেন।

গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় দুই ফিলিস্তিনি নিহত
ছবি : সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার খান ইউনিস শহরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত দুজন ফিলিস্তিনি নাগরিক নিহত হয়েছেন।

এই বর্বরোচিত হামলায় গুরুতর জখম হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন বাসিন্দা। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ২৬ মে খান ইউনিস শহরের একটি চলন্ত গাড়িকে নিশানা করে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী এই হামলা চালায়।

চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত কর্মীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সুনির্দিষ্ট ওই বিমান হামলার পর ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকজন হতাহতকে উদ্ধার করা হয়েছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী এই আক্রমণকে একটি ‘লক্ষ্যভিত্তিক সামরিক অভিযান’ হিসেবে দাবি করলেও, এর চেয়ে বেশি কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করেনি।

অন্য দিকে, গাজায় অবরুদ্ধ সাধারণ মানুষের জন্য পাঠানো আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তার বিভিন্ন বড় বড় বহর আটকে দেওয়ার কারণে ইসরায়েলের ওপর কঠোর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের জোর দাবি জানিয়েছে ফ্রান্স। যুদ্ধ পরিস্থিতি, দীর্ঘকালীন অবরোধ এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের এই ধারাবাহিক ঘটনার কারণে তেল আবিবের ওপর বিশ্ব সম্প্রদায়ের কূটনৈতিক চাপ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত অক্টোবর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর করা হলেও, গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর আক্রমণ পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হয়নি।

বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এক ধরনের রাজনৈতিক অচলাবস্থা বিরাজ করছে। এই নতুন ধাপে হামাসের অস্ত্র সমর্পণ এবং গাজার অভ্যন্তরীণ এলাকা থেকে ইসরাইলি সৈন্যদের সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে যুদ্ধবিরতির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা থাকার পরও গাজার অর্ধেকের বেশি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল এখনো ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়ে গেছে।

গাজার স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের অভিযোগ, যুদ্ধবিরতি চুক্তি সই হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি সেনাদের চোরাগোপ্তা হামলায় অসংখ্য ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। এর বিপরীতে এই সময়ে গাজার প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে তাদেরও বেশ কয়েকজন সেনা নিহত হয়েছে বলে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রশাসন স্বীকার করেছে।