রবিবার আজ-জাওয়ায়দা এলাকার একটি গুদামে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে সেটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে সালাহ আল-দিন সড়কের পার্শ্ববর্তী এলাকায় চালানো বিমান হামলায় চার বছর বয়সী শিশু মুহাম্মদ আবদেল সালাম তাহা নিহত হয়। এছাড়া দক্ষিণ খান ইউনিস ও দেইর আল-বালাহ অঞ্চলের আল-আকসা শহীদ হাসপাতালের নিকটবর্তী অস্থায়ী আশ্রয়শিবিরে ড্রোন হামলা চালানো হলে বেশ কয়েকজন হতাহত হন।
এই পরিস্থিতির মধ্যে ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেছেন যে, চলমান যুদ্ধবিরতি আলোচনা পণ্ড করা এবং নিজস্ব রাজনৈতিক স্বার্থ উদ্ধারের লক্ষ্যে শিশুদের খেলনাকে নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে চিত্রায়িত করা হচ্ছে। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে ফিলিস্তিনিদের ভূখণ্ড থেকে উৎখাতের চক্রান্ত চলছে বলেও অভিযোগ তোলেন তাঁরা।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী স্বীকার করেছে যে উদ্ধার করা ঘুড়িগুলোতে কোনো বিষাক্ত পদার্থ বা বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি এবং সেগুলো কেবল শিশুদের বিনোদনের জন্য ওড়ানো হয়েছিল। তা সত্ত্বেও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ যৌথ বিবৃতিতে হামলা আরও জোরদার করার বার্তা দিয়েছেন।