শুক্রবার, 16 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

ইরানে হামলা ইস্যুতে নিজেদের ভূখণ্ড ও আকাশসীমা ব্যবহারে আমিরাতের নিষেধাজ্ঞা

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক হামলার আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যে বিরাজমান চরম উত্তেজনার মধ্যে বড় ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত কোনো সামরিক অভিযানে তারা নিজেদের আকাশসীমা, ভূখণ্ড কিংবা জলসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেবে না। সোমবার দুবাই-ভিত্তিক গণমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

ইরানে হামলা ইস্যুতে নিজেদের ভূখণ্ড ও আকাশসীমা ব্যবহারে আমিরাতের নিষেধাজ্ঞা
ছবিঃ সংগৃহীত

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক হামলার আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যে বিরাজমান চরম উত্তেজনার মধ্যে বড় ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত কোনো সামরিক অভিযানে তারা নিজেদের আকাশসীমা, ভূখণ্ড কিংবা জলসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেবে না। সোমবার দুবাই-ভিত্তিক গণমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

আমিরাত সরকারের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরণের বৈরী সামরিক কার্যক্রমে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কোনো সম্পদ বা লজিস্টিক সহায়তা ব্যবহার করা যাবে না বলে দেশটি তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে। বর্তমান সংকট নিরসনে কোনো সামরিক সংঘাত নয়, বরং সংলাপ, আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা এবং রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছে আবুধাবি।

এই ঘোষণার নেপথ্যে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন রণতরী ও সেনাদলকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া যুদ্ধাবস্থা কাজ করছে বলে মনে করা হচ্ছে। সম্প্রতি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ ইরানের জলসীমার কাছাকাছি অবস্থান নেওয়ায় তেহরানও তাদের সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রেখেছে। ইরান আগেই হুশিয়ারি দিয়েছে যে, তাদের ওপর হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।

উল্লেখ্য, আমিরাতের রাজধানী আবুধাবির অদূরে আল-ধাফরা বিমানঘাঁটিতে হাজার হাজার মার্কিন সৈন্য অবস্থান করছেন। বিশ্লেষকদের ধারণা, সম্ভাব্য ইরানি হামলা থেকে নিজেদের ভূখণ্ড রক্ষা করতেই আমিরাত মার্কিন বাহিনীকে নিজেদের ভূমি থেকে আক্রমণের সুযোগ দিতে চাইছে না।

আমিরাতের এই সিদ্ধান্তের আগে একই ধরণের অবস্থান নিয়েছে সৌদি আরবও। রিয়াদ ইতোমধ্যেই তেহরানকে আশ্বস্ত করেছে যে, ইরানের ওপর কোনো হামলায় তারা নিজেদের আকাশপথ বা ভূমি ব্যবহারের অনুমতি দেবে না। সৌদি সামরিক বাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, তারা সরাসরি ইরানকে নিশ্চিত করেছে যে কোনো সামরিক অভিযানের অংশ সৌদি আরব হবে না।