শুক্রবার, 6 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

ইউরোপ এখন তৃতীয় বিশ্বে পরিণত হচ্ছে : ট্রাম্প

ইউরোপীয় অঞ্চলের উদারপন্থী অভিবাসন নীতির চরম সমালোচনা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে অপরাধপ্রবণ ব্যক্তিদের জায়গা দেওয়ার খেসারত দিতে হচ্ছে ইউরোপকে।

ইউরোপ এখন তৃতীয় বিশ্বে পরিণত হচ্ছে : ট্রাম্প
ছবি : সংগৃহীত

ইউরোপীয় অঞ্চলের উদারপন্থী অভিবাসন নীতির চরম সমালোচনা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে অপরাধপ্রবণ ব্যক্তিদের জায়গা দেওয়ার খেসারত দিতে হচ্ছে ইউরোপকে। একই সঙ্গে তিনি মন্তব্য করেছেন, তার পুনরায় যুক্তরাষ্ট্রের শাসনভার গ্রহণ করাটা আমেরিকার স্বার্থ রক্ষায় একেবারে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল।

নিজের প্রতিষ্ঠিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ প্রকাশিত একটি বার্তায় ডোনাল্ড ট্রাম্প উল্লেখ করেন, ইউরোপীয় দেশগুলো এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে যে, তৃতীয় বিশ্ব থেকে আসা অপরাধীদের আশ্রয় দিলে নিজের দেশকেও শেষ পর্যন্ত তৃতীয় বিশ্বের কাতারে নিয়ে যেতে হয়।

এর আগেও বিভিন্ন বক্তব্যে ট্রাম্প যুক্তি দেখিয়ে আসছিলেন যে, উন্নয়নশীল বিশ্ব থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষের অনিয়ন্ত্রিত অনুপ্রবেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ ও অখণ্ডতাকে মারাত্মক হুমকির মুখে ফেলতে পারে। নিজের রাজনৈতিক প্রচারণার মূল ভিত্তি ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ স্লোগানের পুনরাবৃত্তি করে তিনি জাতীয় নিরাপত্তা ও অভিবাসন ঠেকাতে তার প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

অভিবাসন সংকটের পাশাপাশি সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালতের বিচারকদের ওপরও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প।

গত ৮ জুন এইচ-১বি ভিসার ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের জারি করা ১ লাখ মার্কিন ডলারের ফি একটি আদালত অবৈধ ঘোষণা করে বাতিল করে দেওয়ার পর তিনি বিচারিক এই সিদ্ধান্তকে চরম খামখেয়ালিপূর্ণ বলে অভিহিত করেন। উল্লেখ্য, এই বিশেষ ভিসা প্রক্রিয়ার অধীনে মার্কিন সরকার প্রতি বছর সাধারণ বিভাগে ৬৫ হাজার এবং উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন পেশাজীবীদের জন্য আরও ২০ হাজার বিদেশি নাগরিককে সে দেশে কাজ করার অনুমতি দিয়ে থাকে।

এর আগে গত এপ্রিল মাসেও মার্কিন ভূখণ্ডে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার দীর্ঘদিনের আইনি ব্যবস্থার তীব্র সমালোচনা করেছিলেন ট্রাম্প। একটি ভিডিও বার্তা শেয়ার করে তিনি তখন দাবি করেছিলেন, কিছু অভিবাসী মূলত তাদের সন্তানদের যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে গর্ভাবস্থার একেবারে শেষ সময়ে আইনি ফাঁকফোকর গলে গর্ভবতী অবস্থায় আমেরিকায় প্রবেশ করছেন।