সোমবার, 19 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তিতে একমত সংসদীয় কমিটি

গত জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতাকে আইনি সুরক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে জারি করা দায়মুক্তি অধ্যাদেশের বিষয়ে একমত পোষণ করেছে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি। একইসঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়কালে জারি হওয়া মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই শেষে আগামী ২ এপ্রিলের মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তিতে একমত সংসদীয় কমিটি
ছবিঃ সংগৃহীত

গত জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতাকে আইনি সুরক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে জারি করা দায়মুক্তি অধ্যাদেশের বিষয়ে একমত পোষণ করেছে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি। একইসঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়কালে জারি হওয়া মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই শেষে আগামী ২ এপ্রিলের মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে আয়োজিত বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক শেষে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ও কমিটির সদস্যরা গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

বৈঠক পরবর্তী এক ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের জানান, জুলাই অভ্যুত্থানে রাজপথে থাকা বীর যোদ্ধাদের আইনি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের নৈতিক ও রাষ্ট্রীয় বড় দায়িত্ব। তাই ছাত্র-জনতাকে দায়মুক্তি দেওয়ার যে অধ্যাদেশ রয়েছে, সেটির সঙ্গে সংসদীয় বিশেষ কমিটি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে। কমিটির সদস্যরা মনে করেন, এই বীরত্বপূর্ণ অংশগ্রহণের আইনি স্বীকৃতি ও সুরক্ষা সময়ের দাবি।

অন্যদিকে আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলের ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনার কাজ ইতোমধ্যে গুরুত্বের সঙ্গে শুরু হয়েছে। প্রতিটি অধ্যাদেশের বিষয়বস্তু সংবিধান এবং জন-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, বিশেষ কমিটির দেওয়া সুপারিশগুলো সরাসরি আইন হিসেবে গণ্য হবে না। কমিটি তাদের মতামত সংসদে পেশ করবে এবং সংসদই চূড়ান্তভাবে সিদ্ধান্ত নেবে এগুলো আইনে রূপান্তর হবে কি না। জনস্বার্থ ও সংবিধানের প্রাধান্য বজায় রেখেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

সংসদীয় নীতিমালা অনুযায়ী, নতুন সংসদ গঠিত হওয়ার পরবর্তী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে পূর্ববর্তী অধ্যাদেশগুলোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হয়। এর মধ্যে ১৫ দিন সময় অতিবাহিত হয়ে যাওয়ায় নির্ধারিত বাকি সময়ের মধ্যেই এই বিশাল আইনি যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শেষ করার বড় চ্যালেঞ্জ নিয়েছে বিশেষ কমিটি। বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রী ছাড়াও কমিটির অন্যান্য সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।