‘‘আমি কোনও যৌন শিকারি নই, তবে আমি একজন ‘অপরাধী’। একজন খুনির আর যে রুটি চুরি করে তার মাঝে যতটুকু পার্থক্য আছে, ঠিক তেমন।’’—২০১১ সালে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্ট-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এভাবেই নিজেকে ব্যাখ্যা করেছিলেন বিতর্কিত ধনকুবের জেফ্রি এপস্টেইন।
দীর্ঘদিনের যৌন অপরাধের অভিযোগে আলোচিত এপস্টেইন ২০১৯ সালের ১০ আগস্ট নিউইয়র্কের একটি উচ্চ নিরাপত্তাসম্পন্ন কারাগারে মারা যান। মৃত্যুর সময় তিনি যৌন পাচারের মামলায় বিচার শুরুর অপেক্ষায় ছিলেন এবং জামিনের কোনো সুযোগও পাননি।
এরও এক দশকের বেশি আগে অপ্রাপ্তবয়স্কের কাছ থেকে যৌনসেবা নেওয়ার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়ে কারাভোগ করেছিলেন এপস্টেইন। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে যৌন অপরাধী হিসেবে নথিভুক্ত করে।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় দফায় তার বিরুদ্ধে আরও গুরুতর অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগপত্রে বলা হয়, তিনি যৌনতার উদ্দেশ্যে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের নিয়ে একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক পরিচালনা করতেন। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে বরাবরই নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আসছিলেন এপস্টেইন।
তার মৃত্যু ও অভিযোগ ঘিরে এখনও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বজুড়ে নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক চলমান রয়েছে।