শনিবার, 17 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

কক্সবাজারে ১৯ কোটি ৫০ লাখ টাকার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৫

কক্সবাজারের টেকনাফে পৃথক দুটি সফল অভিযানে প্রায় ১৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ৩ লাখ ৯০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। মাদক পাচারের এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৫ জন পাচারকারীকে আটক করার পাশাপাশি পাচারকাজে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান ও একটি মাছ ধরার ট্রলার জব্দ করা হয়েছে।

কক্সবাজারে ১৯ কোটি ৫০ লাখ টাকার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৫
ছবিঃ সংগৃহীত

কক্সবাজারের টেকনাফে পৃথক দুটি সফল অভিযানে প্রায় ১৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ৩ লাখ ৯০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। মাদক পাচারের এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৫ জন পাচারকারীকে আটক করার পাশাপাশি পাচারকাজে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান ও একটি মাছ ধরার ট্রলার জব্দ করা হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা গেছে, প্রথম অভিযানটি পরিচালিত হয় শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে নাফ নদী সংলগ্ন বড়ইতলী প্রধান সড়কে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফ জানতে পারে যে, শাহপরীর দ্বীপ এলাকা থেকে একটি কাভার্ড ভ্যানে করে ইয়াবার বড় একটি চালান চট্টগ্রামে পাচার করা হচ্ছে। তথ্যের সত্যতা যাচাইতে একটি সন্দেহভাজন কাভার্ড ভ্যান থামিয়ে তল্লাশি চালালে এর পাটাতনের নিচে বিশেষভাবে তৈরি গোপন কুঠুরিতে ৩ লাখ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। উদ্ধারকৃত এই মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এই ঘটনায় সাহাদাত হোসেন ওরফে সাকিব নামে এক পাচারকারীকে আটক করা হয়।

এর আগে, শুক্রবার রাত ২টার দিকে অপর একটি অভিযানে মিয়ানমার থেকে নাফ নদী হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় একটি মাদকবাহী ট্রলারকে ধাওয়া করে কোস্ট গার্ড। শাহপরীর দ্বীপের গোলারচর সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় সন্দেহভাজন মাছ ধরার ট্রলারটি বাংলাদেশ জলসীমায় প্রবেশ করলে সেটিকে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে ট্রলারটি থেকে ৩ কোটি টাকা সমমূল্যের ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এই চালানের সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে মো. ইয়াসিন (৩৫), মো. ইসমাইল (২২), গিয়াস উদ্দিন (৩২) ও জসিম উদ্দিন (৩৩) নামের চার পাচারকারীকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আরাফাত হোসেন জানান, জব্দকৃত মাদকদ্রব্য ও যানবাহনের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। দেশের সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচার রোধে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্ট গার্ডের এই ধরনের কঠোর ও নিয়মিত অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।