এনসিপি নেতৃবৃন্দের অভিযোগ, বিএনপি এবং তাদের সহযোগী সংগঠন যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এই হামলার সঙ্গে সরাসরি জড়িত।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে উপজেলা সদরের প্রাণকেন্দ্রে এই সহিংসতার ঘটনাটি ঘটে। সংঘাতের পর আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় ফুলবাড়ী ও পার্শ্ববর্তী নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।
ঘটনার বিশদ বিবরণ দিয়ে এনসিপির কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আহ্বায়ক মো. মুকুল মিয়া জানান, হবিগঞ্জসহ ফুলবাড়ীতে তাদের সহযোদ্ধাদের ওপর ঘটে যাওয়া পূর্বেকার আক্রমণের প্রতিবাদে একটি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু সেখানে বিএনপি ও তার বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের প্রায় দুই শতাধিক সমর্থক একজোট হয়ে আচমকা হামলা চালায়। যার ফলে ছাত্রশক্তির ন্যূনতম ১০ জন নেতাকর্মী শারীরিক ক্ষতির শিকার হন।
অন্যদিতে এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রেজাউল ইসলাম রেজা বিপরীত দাবি উপস্থাপন করেছেন। তিনি জানান, প্রথমে এনসিপির পক্ষ থেকেই তাদের এক সহযোদ্ধার ওপর হামলা চালানো হয়। পরবর্তীতে তাদের মিছিলটি সামনের দিকে এগোলে পরিস্থিতির জেরে হাতাহাতি ও সংঘর্ষের সূচনা হয়। এই মুখোমুখি সংঘাতের জেরে তাদের নিজেদেরও চারজন সদস্য আহত হয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আইনশৃঙ্খলার সার্বিক বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান নাঈম জানান, ঘটনার সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন ছিল। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে থানায় আনুষ্ঠানিক লিখিত নালিশ জমা দেওয়া হয়নি। সুনির্দিষ্ট লিখিত বিবরণী পেলে নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।