কক্সবাজারের চকরিয়ায় এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীকে ধর্ষণের মামলায় পারভেজ মো. আবুল কালাম নামে এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মামলার অন্য একটি ধারায় তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কক্সবাজারের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু হানিফ এ রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) তাওহীদুল আনোয়ার।
দণ্ডপ্রাপ্ত পারভেজ মো. আবুল কালাম চকরিয়া পৌরসভার কাহারিয়াঘোনা ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মেহের আলীর ছেলে।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলী তাওহীদুল আনোয়ার মামলার বিবরণ তুলে ধরে জানান, ২০২৫ সালের ১৫ জুলাই রাতে চকরিয়া থানায় কর্মরত এক পুলিশ সদস্যের বাড়িতে পারভেজসহ কয়েকজন প্রবেশ করে। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, তারা বাড়ির মালামাল লুট করার পর ওই পুলিশ সদস্যের স্ত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলী তাওহীদুল আনোয়ার জানান, দীর্ঘ শুনানি এবং সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত পারভেজ মো. আবুল কালামকে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং তা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া মামলার অন্য একটি ধারায় তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে সব সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে।