মঙ্গলবার অপরাহ্ণে মানিকগঞ্জের জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস কে এম তোফায়েল হাসান এই চূড়ান্ত রায় প্রকাশ করেন।
সর্বোচ্চ শাস্তিপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর এলাকার বাসিন্দা আওয়াবিন মিঞা এবং বরিশাল বিমানবন্দর থানার আওতাধীন এলাকার সাগর মুন্সি। মামলার বিবরণী সূত্রে জানা যায়, সিংগাইর থানার ফোর্ড নগর এলাকার বাসিন্দা ও স্থানীয় স্কুলের ছাত্র সোহান বৈশ্বিক মহামারির সময়ে পারিবারিক সুবিধার্থে কেনা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালিয়ে সংসারে অবদান রাখতেন। ২০২১ সালের ১৯ জুলাই প্রাতে বাহনটি নিয়ে গৃহ থেকে বের হওয়ার পর থেকে সোহান নিখোঁজ হন। পরবর্তী সময়ে ধল্লা বাজারমুখী সড়কের কোল থেকে তাঁর গলাকাটা প্রাণহীন দেহ উদ্ধার করা হয়। উক্ত সময়ে তাঁর ব্যবহৃত অটোরিকশা ও মুঠোফোনটির কোনো সন্ধান মেলেনি। এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরই ভুক্তভোগীর জননী লাইলী বেগম সিংগাইর থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু করেন।
তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা শেষে ওই বছরেরই ৩০ জুলাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তিনজনকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। বিচারাধীন এই মামলায় মোট ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে দুই আসামির বিরুদ্ধে আনীত অপরাধ নিঃসন্দেহে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক মৃত্যুদণ্ডের এই নির্দেশ দেন।