ভোলার মনপুরায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা ও ভোট চাওয়ার সময়ে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত আটজন আহত হয়েছেন।
ঘটনা সম্পর্কে মনপুরা থানার ওসি মো. মাহামুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া জানান, শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার ৩নং উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মাস্টারহাট বাজার সংলগ্ন আশ্রয়ণ প্রকল্প আলম কলোনির সামনে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে বিএনপির পক্ষ থেকে আঘাত পেয়েছেন কর্মী আবদুল গনি মাঝি, রাসেল হাওলাদার এবং গনি মাঝির বৃদ্ধ মাতা। অন্যদিকে জামায়াতের পক্ষের আহতরা হলেন ইদ্রীস মাঝি, মো. রুবেল, মো. তারেক, মাওলানা শরীফ ও মো. সাদ্দাম। এদের মধ্যে বিএনপির আবদুল গনি মাঝি এবং জামায়াতের ইদ্রীস মাঝি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
মনপুরা উপজেলার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ডা. কামাল উদ্দিন অভিযোগ করেছেন, জামায়াত নেতাকর্মীরা ইচ্ছাকৃতভাবে বিএনপির ভোটারদের ওপর হামলা চালিয়েছে, যার ফলে বিএনপির চারজন কর্মী আহত হয়েছেন।
অপরদিকে উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুর রহিম জানিয়েছেন, বিএনপির কর্মীরা নির্বাচনী প্রচারণার সময় বাধা দেয়ায় কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়ায় দুইপক্ষ। এতে জামায়াতের পাঁচজন আহত হন।
ওসি মো. মাহামুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া বলেন, “সংঘর্ষের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ ঘটনায় মনপুরার বিভিন্ন এলাকায় এখনও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে, এবং স্থানীয়রা ভবিষ্যতে আরও সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন।