জাতীয় জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই দিনটিতে স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরবর্তীতে স্থানীয় বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকারসহ বরিশাল সিটি করপোরেশন, পুলিশ বিভাগ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, গণঅভ্যুত্থানের যোদ্ধা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা সেখানে পর্যায়ক্রমে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে গণমাধ্যমের সামনে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, যে বীর সন্তানদের বীরত্বপূর্ণ ত্যাগে স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটে নতুন এক বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছে, তাদের সেই অবদানকে সম্মানিত করা বর্তমান প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব। ছাত্র ও সাধারণ মানুষের এই অভূতপূর্ব সংগ্রামের মূল লক্ষ্যই ছিল বৈষম্যহীন, ন্যায়পরায়ণ এবং গণতান্ত্রিক সমাজ বিনির্মাণ করা। সেই ধারাবাহিকতায় অর্জিত রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যকে স্থায়ী রূপ দিতে প্রশাসন সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করছে।
স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানানো শেষে সর্বস্তরের মানুষ ও নানা সংগঠনের প্রতিনিধিরা শহীদদের কাঙ্ক্ষিত মানবিক ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
ঐতিহাসিক এই দিবস উপলক্ষে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি ভবনে একটি স্মারক আলোচনা সভা এবং আত্মদানকারী শহীদদের স্বজন ও আহত যোদ্ধাদের সম্মাননা জানানোর আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি দিনটি ঘিরে পুরো জেলাজুড়ে দিনব্যাপী বিভিন্ন ধরনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে।