উক্ত ঘটনাটি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে তথ্য প্রদান করেছেন ১৩ ও ১৯ নম্বর শরণার্থী শিবিরের দায়িত্বে থাকা উপ-সচিব আজগর আলী।
দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো ১১ বছর বয়সী শিশু ননোজিয়া ১৩ নম্বর শিবিরের এফ-৫ ব্লকের অধিবাসী জমির হোসেনের মেয়ে।
আশ্রয়কেন্দ্রের অধিবাসীদের তথ্যমতে, আজ একটানা তীব্র বৃষ্টিপাতের ফলে এফ-৫ ব্লকে অবস্থানরত জমির হোসেনের কাঁচা বসতবাড়ির ওপর সংলগ্ন টিলার মাটি ধসে পড়ে। এতে মাটির নিচে আটকা পড়ে গুরুতর আহত হয় শিশুটি। তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ শরণার্থীরা তাকে উদ্ধার করে সংলগ্ন চিকিৎসালয়ে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শিবির পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা আজগর আলী জানান, প্রাকৃতিক দূর্যোগের আশঙ্কায় টিলার পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা পরিবারগুলোকে পূর্বেই নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। স্থানীয় প্রশাসনের তরফ থেকে বারবার সতর্কবার্তা জারি করা সত্ত্বেও অনেকে পরবর্তীতে পুনরায় ওইসব বিপদজনক স্থানে প্রত্যাবর্তন করেন। ফলে এ ধরনের ভূমিধসে জীবনহানির আশঙ্কা বজায় থাকছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে এবং অধিবাসীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে প্রচার অভিযানসহ নানামুখী উদ্যোগ বজায় রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর পূর্বে জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের দিকে উখিয়ার কয়েকটি শরণার্থী শিবিরে একই ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে আটজনের প্রাণহানি ঘটেছিল।