নিহত ব্যক্তিরা হলেন—সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ওয়ারিয়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহিমের পাঁচ বছর বয়সী সন্তান শান্ত, বেতনা নদীতে তলিয়ে যাওয়া অজ্ঞাতপরিচয় এক শিশু, কলারোয়া উপজেলার ব্রজবক্সা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হামিদ ওরফে ঝড়ু (৩৫) এবং কালিগঞ্জ উপজেলার চৌমহনী এলাকার মহসিন আলী (৫২)।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল ৯টার দিকে ওয়ারিয়া গ্রামে নিজ বাড়ির পাশে পুকুরপাড়ে খেলার সময় অসাবধানতাবশত পানিতে পড়ে তলিয়ে যায় শিশু শান্ত। পরবর্তীতে পরিবারের লোকজন তাকে জলাশয় থেকে উদ্ধার করলেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়। প্রায় একই সময়ে ঝাউডাঙ্গা এলাকার বেতনা নদীতে পড়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু ঘটে, তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার নাম-পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে দুপুরের দিকে কলারোয়ার ব্রজবক্সা গ্রামে তীব্র বৃষ্টির মধ্যে স্থানীয় একটি খালে গোসল করতে যাওয়ার সময় আকস্মিক বজ্রপাতের শিকার হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান আব্দুল হামিদ ওরফে ঝড়ু।
অন্য এক ঘটনায়, কালিগঞ্জ উপজেলার চৌবাড়িয়া এলাকায় নিজের বসতবাড়িতে বৈদ্যুতিক লাইনের সংযোগ মেরামতের কাজ করছিলেন মহসিন আলী। এ সময় অসতর্কতাবশত তিনি তারের সাথে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলেও পথেই তার জীবনাবসান ঘটে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান, কলারোয়া থানার ওসি এইচএম শাহীন এবং কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিজ নিজ এলাকায় সংঘটিত এসব অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।