রবিবার, 18 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

স্ত্রী পালাল বন্ধুর সঙ্গে, প্রতিশোধ নিতে সেই বন্ধুর বউকেই বিয়ে

স্ত্রী কথিত প্রেমিকের সঙ্গে ঘর ছাড়ার এক মাসও পেরোয়নি। এরই মধ্যে প্রতিশোধ নিতে সেই প্রেমিকের স্ত্রীকেই বিয়ে করেছেন টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের এক যুবক। ব্যতিক্রমী এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।

স্ত্রী পালাল বন্ধুর সঙ্গে, প্রতিশোধ নিতে সেই বন্ধুর বউকেই বিয়ে

স্ত্রী কথিত প্রেমিকের সঙ্গে ঘর ছাড়ার এক মাসও পেরোয়নি। এরই মধ্যে প্রতিশোধ নিতে সেই প্রেমিকের স্ত্রীকেই বিয়ে করেছেন টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের এক যুবক। ব্যতিক্রমী এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।

রোববার (৭ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শাজাহান সিরাজ।

স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের সদস্যদের তথ্য অনুযায়ী, উপজেলার পেকুয়া গ্রামের সাইজুদ্দীন মিয়ার ছেলে হাসান প্রায় ১৫ বছর আগে পারিবারিকভাবে জহুরা আক্তারকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

জানা যায়, সাতক্ষীরার বাসিন্দা রাজু মিয়া পাশের একটি প্রতিষ্ঠানে বাবুর্চি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। কর্মস্থল ও বসতবাড়ি কাছাকাছি হওয়ায় রাজুর সঙ্গে হাসানের পরিবারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে সেই সম্পর্ক পরকীয়ায় রূপ নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। গত ৭ মে রাজু মিয়া জহুরা আক্তারকে নিয়ে চলে গেলে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন হাসান।

হাসান মিয়া বলেন, “ও আমার বউ নিয়ে গেছে, তাই আমি ওর বউ নিয়ে এসেছি।” তিনি আরও বলেন, “পরকীয়া প্রেমের শাস্তি দিতেই আমি এমন কাজ করেছি।”

হাসানের দাবি, স্ত্রী চলে যাওয়ার পর তিনি রাজু মিয়ার স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে কয়েক দফা আলোচনার পর গত ৪ জুন রাজুর স্ত্রী তার তিন বছর বয়সী সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে সাতক্ষীরা থেকে মির্জাপুরে আসেন। এরপর তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে রাজু মিয়ার মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

ঘটনাটি এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। কেউ এটিকে প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে পারিবারিক ও নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের প্রতিফলন হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে এবং পারিবারিক সম্পর্ক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।