জামালপুরে স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। অপর একজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন:
জামালপুর সদরের পাকুল্যা মধ্যেপাড়া গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে মো. ফারুক হোসেন
আলী আকবরের ছেলে মুনছুর আলী
শফিকুল ইসলামের ছেলে ফেরদৌস হোসেন
অপরদিকে, অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় একই এলাকার জামাল উদ্দিনের ছেলে জাহিদুল ইসলাম খালাস পেয়েছেন।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান, গৃহবধূর স্বামী একজন ব্রয়লার মুরগীর ব্যবসায়ী। ২০২৩ সালের ১৯ জুলাই ব্যবসায়িক কারণে তারা সেলিম নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে গিয়েছিলেন। কাজ শেষে রাত সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার পাকুল্লা এলাকায় বাড়ির পথে ফেরার সময় আসামীরা তাদের লক্ষ্য করে, নানা কথা বলে ও সন্দেহ সৃষ্টি করে। স্বামী ও স্ত্রী পরিচয় দেয়ার পরও আসামীরা বিশ্বাস করেনি। পরে স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে, স্ত্রীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়।
ফজলুল হক আরও জানান, ঘটনার পরদিন গৃহবধূ জামালপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। চারজনের সাক্ষ্যগ্রহণের পর আদালত আসামিদের অনুপস্থিতিতে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন।
আইন-আদালত
স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
জামালপুরে স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। অপর একজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।