রবিবার, 18 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

তারেক রহমানের নেতৃত্বে স্থিতিশীল বাংলাদেশ: মার্কিন বিশেষ দূত

বাংলাদেশকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের আস্থা আরও জোরালোভাবে প্রকাশ করলেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গর। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের গভীর আস্থা রয়েছে এবং তাঁর নেতৃত্বে দেশে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে।

তারেক রহমানের নেতৃত্বে স্থিতিশীল বাংলাদেশ: মার্কিন বিশেষ দূত

বাংলাদেশকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের আস্থা আরও জোরালোভাবে প্রকাশ করলেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গর। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের গভীর আস্থা রয়েছে এবং তাঁর নেতৃত্বে দেশে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে।

শনিবার সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। বৈঠক শেষে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, আলোচনা অত্যন্ত উষ্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সার্জিও গর বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সম্পর্কিত আগের ভ্রমণ সতর্কবার্তা (ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি) ইতিবাচকভাবে সংশোধন করেছে। তাঁর মতে, এ সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে এ বার্তা পৌঁছে দেবে যে বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত।

বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকটও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়। শুক্রবার কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা প্রধানমন্ত্রীকে জানান মার্কিন বিশেষ দূত। তিনি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়া এবং অব্যাহত মানবিক সহায়তার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রশংসা করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তার অর্ধেকেরও বেশি যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসে। এ সহায়তা অব্যাহত রাখায় তিনি যুক্তরাষ্ট্র সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই ও রাজনৈতিক সমাধানের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন সার্জিও গর।

দুই পক্ষ যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ)-এর সহযোগিতায় বাংলাদেশে পুনরায় পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করতে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে সম্মত হয়।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে আরও বেশি মার্কিন বিনিয়োগের আহ্বান জানান। বিশেষ করে সয়াবিন, তুলা, গম ও অন্যান্য কৃষিপণ্যের জন্য গুদাম বা ওয়্যারহাউস নির্মাণে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ কামনা করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, এসব খাতে বিনিয়োগ হলে দেশের সরবরাহব্যবস্থা আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক হবে।

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণের বিষয়েও বাংলাদেশের আগ্রহ তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

এ প্রসঙ্গে সার্জিও গর বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সেমিকন্ডাক্টর এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের সরবরাহব্যবস্থা সুরক্ষিত করতে যুক্তরাষ্ট্র গত বছর ‘প্যাক্স সিলিকা’ নামে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তাবিষয়ক একটি জোট গঠন করেছে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশও এ উদ্যোগের অংশীদার হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মো. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ ও মাহদী আমিন, ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম, বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনসহ দুই দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।