নিহত যুবক নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার তেতুলিয়া ইউনিয়নের অন্তর্গত বড় পাইকুড়া গ্রামের বাসিন্দা মঈনুল কবীর খানের সন্তান। তিনি কর্মসংস্থানের সূত্রে ঢাকায় একটি তৈরি পোশাক কারখানায় নিয়োজিত ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে নিহতের মামা লিলু মোড়ল জানান, তাঁর ভাগ্নে ঢাকা থেকে ছুটি পেয়ে ‘হাওড় এক্সপ্রেস’ ট্রেনে চড়ে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন। ভোরের দিকে স্বজনরা তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের মাধ্যমে তাঁরা রিফাতের ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যুর খবরটি জানতে পারেন।
নেত্রকোনা ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা খানে আলম খান এই বিষয়ে জানান, চলন্ত ট্রেনের চাকার নিচে কাটা পড়ার পর মুহিদ খান ছিটকে গিয়ে রেললাইনের পাশে থাকা একটি জলাশয়ে বা ডোবায় পড়ে যান। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু ঘটে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নেত্রকোনা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আকামল জানান, নিহত যুবকের মরদেহটি উদ্ধার করে দুর্ঘটনাস্থলেই রাখা হয়েছে। বিষয়টি ইতিমধ্যে মোহনগঞ্জ রেলওয়ে (জিআরপি) পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। রেলওয়ে পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছালে মরদেহটি তাঁদের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং জিআরপি পুলিশই এই বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।