সোমবার, 19 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

ভুল ও অপতথ্য থেকে জনগণকে সুরক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশে স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের পরিবেশ বজায় রাখতে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

ভুল ও অপতথ্য থেকে জনগণকে সুরক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশে স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের পরিবেশ বজায় রাখতে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

তিনি উল্লেখ করেন, সমাজ ও জনগণকে বিভ্রান্তিকর তথ্য এবং অপপ্রচারের হাত থেকে রক্ষা করা বর্তমান প্রশাসনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

আজ সকালে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেঙ্গলি এবং যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে পৃথক দুটি সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তার সাথে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকার পর্বের শুরুতে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত এবং যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করায় জহির উদ্দিন স্বপনকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

সুইস রাষ্ট্রদূতের সাথে আলাপকালে তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভুল তথ্যের বিস্তার রোধ করা এখন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই সংকট দূর করতে তিনি সুইজারল্যান্ডের আধুনিক জ্ঞান, অভিজ্ঞতা এবং কারিগরি সহযোগিতা পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী প্রযুক্তিগত অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই বর্তমান যুগে যেমন নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেছে, ঠিক তেমনি তথ্য যাচাই-বাছাই ও সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিশ্বজুড়ে নতুন সংকটেরও জন্ম দিয়েছে। এই বৈশ্বিক সমস্যা সামলাতে তিনি সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান এবং বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সুইজারল্যান্ডের বিনিয়োগ প্রত্যাশা করেন।

অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে আলোচনার সময় তথ্যমন্ত্রী জানান, দেশের সংবাদমাধ্যমকে আরও শক্তিশালী ও স্বাধীন করতে ইতোমধ্যে একটি গণমাধ্যম কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। এই উদ্যোগকে ফলপ্রসূ করতে তিনি যুক্তরাজ্যের সক্রিয় অংশীদারত্ব কামনা করেন।

বিশেষ করে যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান ‘অফিস অব কমিউনিকেশনস’ বা অফকমের কাজের পরিধি ও অভিজ্ঞতাকে উদাহরণ হিসেবে টেনে তথ্যমন্ত্রী বলেন, তাদের এই জ্ঞান বাংলাদেশের গণমাধ্যম সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণী কাজে অত্যন্ত সহায়ক হতে পারে। যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারও এ বিষয়ে বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রদানের ব্যাপারে ইতিবাচক আশ্বাস দেন।