আর্কাইভ
ads
logo

জুড়ীতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশকাল: ২১ জুন ২০২৬, ১২:০৩ পি.এম
জুড়ীতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগ

ছবি : সংগৃহীত

ads

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার সাগরনাল উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে গত ১১ই জুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-এর নিকট লিখিত আবেদন করেছেন ছাত্রীর বাবা। 

‎‎লিখিত অভিযোগে কলাবাড়ি বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুল কাদির অভিযোগ করেন, তার মেয়ে নাইদা ইয়াসমিন সাগরনাল উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত ২১শে মে গণিত ক্লাস চলাকালে এক সহপাঠী নাইদা ইয়াসমিনের খাতা দেখে অংক করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম জসিম তাকে দায়ী করেন। পরে কাঠের স্কেল দিয়ে তার হাতে ও বাহুতে একাধিকবার আঘাত করেন । 

‎‎অভিযোগে আরও বলা হয়, শিক্ষকের বেত্রাঘাতে ছাত্রীর হাতে পরিহিত সৌদি আরব থেকে আনা একটি অ্যাপল ওয়াচের গ্লাস ভেঙে যায়। এছাড়া আঘাতের কারণে সে কয়েকদিন ধরে শারীরিক ব্যথায় ভুগেছে এবং মানসিকভাবে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। পরে তাকে কয়েকদিন চিকিৎসা ও ব্যথানাশক ওষুধ দিতে হয়েছে বলে দাবি করেন অভিভাবক।

‎‎ঘটনার পর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নেননি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। আব্দুল কাদিরের দাবি, বিদ্যালয় পুনরায় খোলার পরও প্রধান শিক্ষক বা অভিযুক্ত শিক্ষক কেউই তার সঙ্গে যোগাযোগ করেননি কিংবা ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেননি।

‎‎লিখিত অভিযোগে তিনি আরও করেন, প্রধান শিক্ষকের অবহেলা ও প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে প্রধান শিক্ষকের অনিয়মিত উপস্থিতি, শিক্ষক-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে শৃঙ্খলার অভাব এবং শিক্ষার মান অবনতির বিষয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

‎‎এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম জসিম বলেন, বিষয়টি ওই রকম সিরিয়াস কিছু নয়।‌ ক্লাসে অনেক সময় শিক্ষার্থীদের শাসন করতে হয়। ইউএনও বরাবর অভিযোগের বিষয়টি জানার পর আমি আমার দুজন সহকর্মীকে নিয়ে শিক্ষার্থীর বাড়িতে গিয়েছি এবং প্রয়োজনে তাঁর ভাঙ্গা ঘড়ির ক্ষতিপূরণসহ ঔষধ খরচ প্রদানের আশ্বাস দিয়েছি। 

‎‎উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুসফিকীন নূর অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ads

এই বিভাগের আরও খবর

এই বিভাগের আরও খবর

ads
ads
manusherkotha

manusherkotha

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ